বৃহস্পতিবার তিনি পা দিলেন ৩৭ বছরে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।মোদি-শাহর মতো নেতারাও এরাজ্যে এসে বার বার নিশানা করেছেন তাঁকে। যা বুঝিয়ে দেয় দিনে দিনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন অভিষেক। বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মদিনের জনজোয়ার, ভক্তদের আকুতি বুঝিয়ে দিল নেতা হিসেবে কতটা আদর্শ হয়ে উঠতে পেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য সেনাপতি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে অভিষেকের জন্মদিনে তিনি তাঁর পটুয়াপাড়ার বাড়ির সামনে অনুগামী, শুভার্থী এবং হিতৈষীদের সঙ্গে দেখা করতে নেমে এসেছিলেন। ঘটনাচক্রে, তার কয়েক ঘণ্টা আগে তৃণমূলের ‘প্রবীণ’ সাংসদ কল্যাণ বলেছিলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়কে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে দু’ভাবে ব্যাখ্যা করছেন। তাঁর কথায়, ‘‘এক, মার্কিন জনতা শিক্ষিত হলেও তাঁরা লিঙ্গবাদী। তাই দু’বারই মহিলা প্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাম্প জিতেছেন। এবং দুই, ট্রাম্পের বয়স ৭৮। তাঁর জয় প্রমাণ করে দিল, রাজনীতিতে বয়স কোনও বিষয় নয়।’’ প্রত্যাশিত ভাবেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা-হইচইয়ের অবকাশে অভিষেককে কল্যাণের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। ঘাসফুলের ‘নবীন’ সেনাপতি ‘বাউন্সার’টি দিয়ে বলেন ‘‘সে তো জো বাইডেনেরও বয়স ৮১ বছর। কিন্তু সমাজে এই অংশের সংখ্যা কত? বয়স একটা ফ্যাক্টর। পঁয়ষট্টির পরে অনেক কিছুই করা যায় না!’’ অভিষেক সেভাবে বয়স নিয়ে কিছু না বললেও, গত লোকসভা নির্বাচনে সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণদের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের প্রচারে দেখা যায়নি তাঁকে। ট্রাম্প জেতার পর, অভিষেকের জন্মদিনে যেভাবে ফের বয়সের কথা পাড়লেন কল্যাণ, তাতে তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে বয়স-বিতর্কে তিনি জাগিয়ে তুললেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post