গৃহযুদ্ধবিধ্বস্ত মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের পশ্চিমাংশে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা দেশের সামগ্রিক মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলবে। শুক্রবার রাষ্ট্রপুঞ্জের উন্নয়ন কর্মসূচি প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গৃহযুদ্ধের কারণে মায়ানমারের কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই খাদ্য উৎপাদন প্রায় তলানিতে ঠেকেছে, আর এই অবস্থার মধ্যেই দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। মায়ানমারের বেশ কিছু প্রদেশে তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া ওই দেশের রাখাইন এবং চিন প্রদেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের ইউনাইটেড নেসনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা ইউএনডিপি জানিয়েছে, গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত মায়ানমারের অর্থনীতি এমনীতেই ভেঙে পড়েছে। তার উপর দেশটির সেনা শাসকেরা বেশ কিছু প্রদেশের উপর অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। ঘটনাচক্রে, ওই প্রদেশে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বসবাস। ফলে বাংলাদেশ এবং ভারতের উপর শরণার্থীদের চাপ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। গৃহযুদ্ধের কারণে ইতিমধ্যেই কৃষির উৎপাদন তলানিতে ঠেকেছে মায়ানমারে। সেই সঙ্গে দ্রুত বাড়ছে মূল্যবৃদ্ধি। এই পরিস্থিতিতে দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি হলে বহু মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে ইউএনডিপি জানিয়েছে।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়।...
Read more












Discussion about this post