২০০২ সালের আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের ধারায় সান্তিয়াগো মার্টিন ও তাঁর সংস্থা ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অভিযোগ উঠেছিল যে সান্তিয়াগো মার্টিন ও তাঁর সংস্থা টিকিট বিক্রি করে লটারির প্রকৃত নম্বর গোপন রেখে অন্য সিরিয়াল নম্বর দিয়ে প্রভাবশালীদের টাকা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছিল। যার ফলে কোটি কোটি টাকা কারচুপি হয়। আর তারই তদন্তে নেমে উঠে এল বিস্ফারিত তথ্য। ইডির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই ২২ জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোট ১২.৪১ কোটি টাকা উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। এর পাশাপাশি ৬.৪২ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট ‘ফ্রিজ’ করা হয়েছে। সান্তিয়াগোর ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডের দুর্নীতি সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিও এই অভিযানে বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এসবিআই-এর নির্বাচনী বন্ড সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল গত মার্চ মাসে। সেই তালিকাতেই দেখা গিয়েছিল, ২০১৯ সাল থেকে রাজনৈতিক দলগুলিকে সবথেকে বেশি অনুদান দিয়েছে ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড। পরিমাণটা ছিল ১৩৬৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ৫৪০ কোটি এবং ডিএমকে পেয়েছিল ৫০৯ কোটি টাকা। সেই সান্তিয়াগোর সংস্থার বিরুদ্ধেই জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post