আরজি কর কাণ্ডে প্রতিবাদীদের পাশে দাঁড়িয়ে ফের তৃণমূলের কোপের মুখে প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। এবার রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে তাঁর অপসারণ চেয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছেন কাউন্সিলের সভাপতি তৃণমূলেরই বিধায়ক সুদীপ্ত রায়। শান্তনু সেনের বদলে রাজ্য সরকারকে অন্য কোনও প্রতিনিধির নাম সুপারিশ করতে অনুরোধ করেছেন তিনি। ওদিকে নাম না করে আদালতে শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে দাবি করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি শান্তনু সেনের সঙ্গে তৃণমূলের বিচ্ছেদ আসন্ন। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের পরপর তিনটি বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার জন্য শান্তনু সেনের সদস্যপদ কেড়ে নেওয়া হল বলেই জানিয়েছেন সুদীপ্ত রায়৷ বেঙ্গল মেডিক্যাল অ্যাক্ট,১৯১৪-র এর ৯ (১) ধারা অনুযায়ী শান্তনু সেনকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানালেন মেডিকেল কাউন্সিলের সভাপতি সুদীপ্ত রায়৷ তিনি নিজেও তৃণমূলের বিধায়ক পদে রয়েছেন৷ ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিলে সরকার মনোনীত সদস্য হিসেবে রয়েছেন চিকিৎসক তথা প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। তিনি ছাড়াও কাউন্সিলে সরকার মনোনীত আরও দু’জন প্রতিনিধি রয়েছেন। তাঁরা হলেন চিকিৎসক নির্মল মাজি ও চিকিৎসক সৌরভ পাল। কিন্তু কেবল চিকিৎসক শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন মেডিক্যাল কাউন্সিলের সভাপতি সুদীপ্ত রায়। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই শান্তনু সেনকে মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে সরানোর প্রস্তাব দিলেন তিনি। সেই মর্মে স্বাস্থ্যসচিবকে একটি চিঠি দিয়েছেন সুদীপ্ত রায় । ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, শান্তনু সেন মেডিক্যাল কাউন্সিলের একাধিক বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। তাই তাঁকে কাউন্সিল থেকে সরানো হোক। এবিষয়ে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ লিখেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এই পোস্টটি নিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। আমি সবাইকে জানিয়ে দিতে চাই, এই শান্তনু সেন আমি নই। তিনি হয় অন্য কেউ নয়তো আমার বিরুদ্ধে কোনও গভীর চক্রান্ত’।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post