মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে মের ফিরহাদ হাকিমের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। কয়েকদিন আগে এই সুশান্তের ওপরই কসবায় প্রাণনাশী হামলার চেষ্টা হয়েছিল। এই সবের মাঝেই কসবার রাজনীতির প্রসঙ্গ সামনে আসছে। ধৃত গুলজার যতই বলুক, সম্পত্তি বিবাদের জেরে সে সুশান্তকে খুন করাতে চেয়েছিল, কসবা কাণ্ডে ঘুরে ফিরে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের বিষয়টি সামনে চলে আসছে। এই আবহে জল্পনা তৈরি হয়েছে, দলেরই কোনও প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে নালিশ করতেই কি মমতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন সুশান্ত? বুধবার কলকাতা পুরসভায় গিয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে মমতার সঙ্গেই দেখা করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে এলেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। সেখানে কসবার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খান এবং পাশের ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লিপিকা মান্নার সঙ্গে সুশান্তের ‘বিবাদ’ও সুবিদিত। প্রশ্ন উঠছে, মমতার সঙ্গে দেখা করে কি সেই জাভেদ এবং লিপিকার বিরুদ্ধেই নালিশ জানাতে চাইছেন সুশান্ত? পুরসভায় গিয়ে সোজা চলে যান ববির ঘরে। দীর্ঘ ক্ষণ তাঁদের বৈঠক হয়। সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সুশান্ত। পুরসভা সূত্রে খবর, মেয়রও তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সুশান্ত-ঘনিষ্ঠদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইছেন কাউন্সিলর। পাশাপাশি, কসবা এলাকার রাজনীতি নিয়েও তিনি কথা বলতে চাইছেন। সুশান্তর কথা শুনতে মুখ্যমন্ত্রী যদি অনুমতি দেন, তাহলে কসবা নিয়ে অনেক কথাই উঠতে পারে। কিন্তু কবে মুখ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পাবেন সুশান্ত ? সেই দিকেই তাকিয়ে কসবার বাসিন্দারা।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post