পাখির চোখ ২০২৬। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের রূপরেখা তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। আর তার শুড়ুয়াত হল বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনে আভাস মিলছে, ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের স্ট্র্যাটেজি কি হবে, ঠিক হয়ে গিয়েছে। এদিনের মহাসমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলেন দলের মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, তৃণমূল স্তরের নেতা কর্মীরা। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঠারেভারে বুঝিয়ে দেন, তিনি রাজনীতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেননি। আসলে শেষ কটা মাসে অভিষেকের অন্তর্ধান হওয়াতে বিরোধীরা প্রচার করছিল, অভিষেক নতুন একটি দল গড়ার কথা ভাবছে। অনেকে আবার বলছিলেন, হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই চলছে অভিষেকের। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে কর্পোরেটভাবে চালনা করতে চান। উল্টো দিকে মমতা চান, দলের মধ্যে কোনও বৈষম্য না থাকুক। কিছুদিন আগেও দেখা গিয়েছিল, বয়সের ঊর্ধ্বসীমা নিয়ে রাজনৈতিক চর্চা। যেটার জন্ম দিয়েছিলেন অভিষেক। যদিও সেই তত্ত্বের বহু রকম ব্যাখ্যা দিতে দেখা গিয়েছে বিভিন্ন সময়, কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আবার কখনো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ অভিষেকের এই মন্তব্যের জেরে খানিকটা অবস্তিতে পড়েছিল তৃণমূল, সেটা স্পষ্ট। তবে সমস্ত চর্চার অবসান করতে একই মঞ্চে উপস্থিত হলেন দলের সর্বোচ্চ নেত্রী এবং ফলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বলছেন রাজনৈতিক বিশেজ্ঞরা। অভিষেকের নিশানায় ছিল, বিজেপি। বাদ যায়নি সিবিআইয়ের চার্জশিট পেশও। তিনি উল্লেখ করেন, বিজেপি এবং সিবিআই একই সুরে কথা বলে। এর পাশাপাশি অভিষেক বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফের হারবে বিজেপি। বাকিরা তো শূন্য রয়েছেই। শুধু তাই নয়, নির্বাচনে দলের রূপরেখা কি হবে, এবং নির্বাচনের লক্ষ্যমাত্রা ঠি করে দিয়ে কি বললেন অভিষেক শুনুন…
তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ, সবই অভিযোগই। আর সেই কারণেই অভিযুক্তরা একে একে মুক্তি পাচ্ছেন। এটা দেখছেন বাংলার মানুষ। যেগুলি তারা সিরিয়াসলি নিচ্ছেন না। আর সেটাই প্রতিফলিত হচ্ছে একের পর এক নির্বাচনে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও সেটাই দেখা যাবে। বলতে চাইলেন দলের সর্বোচ্চ নেত্রী এবং দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড।












Discussion about this post