১৮ই এপ্রিল রিঙ্কু মজুমদার বিয়ে করেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ছেলের এই পরিণতি। হঠাৎই মঙ্গলবার সকালে নিউটাউনের সাপুরজি আবাসন থেকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় রিঙ্কু মজুমদারের ছেলে সৃঞ্জয় দাশগুপ্ত ওরফে প্রীতমের। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে বিধান নগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শোকে কাতর হয়ে পড়েন রিংকু মজুমদার। গভীরভাবে শোকাহত হন দিলীপ ঘোষও। তিনি জানান, পুত্র সুখ হলো না, পুত্র শোক হয়ে গেল। সামনে এসেছে প্রীতমের ময়না তদন্তের রিপোর্ট। প্রাথমিক ওই রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, প্রীতমের হৃদযন্ত্র লিভার এবং কিডনি স্বাভাবিক ক্ষেত্রে বড় ছিল। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এই লক্ষণ গুলি দেখা যায়। মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ, অ্যাকিউট হেমরোজিক প্যান ক্রিয়াটাইটিস। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে পৌঁছেছিলেন প্রীতমের বাবা রাজা দাশগুপ্ত। এবার তিনি ছেলের মৃত্যুর কারণ নিয়ে বিস্ফোরক কথা বললেন একটি বেসরকারি চ্যানেলের মুখোমুখি হয়ে।
রাজা দাশগুপ্ত জানান, ছেলে মায়ের বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তিনি আরও জানান, তার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর ছেলে মায়ের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিল। মা বিয়ে হয়ে চলে যাচ্ছে, এটা কাউকে বুঝতে না দিলেও কষ্টে ছিল ছেলে। তাই সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল না।এমনকি তিনি জানান, প্রীতম তাকে ফোন করেছিল। মা যদি ভালো থাকে, ভালো অবশ্যই। ঠিক কি বলেছেন তিনি, শুনুন
তিনি বলেন, মুখে বলে না, তবে বাইরে থেকে হাসি খুশি। কাউকে নিজের ভিতরের ব্যথাটা বলেনি। অন্যদিকে রিংকু মজুমদার জানান, নিউরো মেডিসিন চলত। তবে কয়েকদিন ধরে নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছিলেন না। আরও বেশি করে মায়ের সঙ্গে থাকতে চাইতেন। অবসাদে ভুগছিলেন প্রীতম।
এই ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পেলে বুঝতে পারছেন না তারা। তবে মাদকজনিত সমস্যা ছিল প্রীতমের, কাউন্সেলিং ও চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে এমন ঘটল কী করে, তা তিনিও বুঝতে পারছেন না বলে জানান তিনি। এখন তরুণদের মধ্যে নেশার যে প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, সেই নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।












Discussion about this post