এইবার কি ভয়ঙ্করভাবে বিপদে পড়তে চলেছে তুর্কি? কারণ ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যেভাবে পাকিস্তানের পাশে প্রকাশ্যে এসে দাঁড়িয়েছে তুর্কি, তাতে বড়সড়ো বিপদে পড়তে চলেছে এই দেশ, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে ক্রমাগত অস্ত্র যুগিয়ে এসেছে তুর্কি। প্রকাশ্যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সমালোচনার না করে ভারতের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে তারা। নিঃসন্দেহে এই জেরে ভবিষ্যতে তুর্কির জন্য বড় কোনও বিপদ ডেকে নিয়ে আসতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, তুর্কি একতুবপ্রেস রিলিজ করেছে। তারা ভারতের কাছে একটি খোলা চিঠি লিখেছে। যাতে কোনওভাবে বয়কট করা না হয়, সেই বিষয়ে আবেদন করা হয়েছে।
তুর্কি যে প্রেস রিলিজ দিয়েছে, সেটা তুর্কির টুরিজম ডিপার্টমেন্টের আনকারা থেকে। সেখানে বলা হয়েছে, তুর্কি সাধারণ মানুষ জানে না পাকিস্তান এবং ভারতের সংঘর্ষ। ফলে এর প্রভাব কখনোই সামাজিক মাধ্যমে পড়বে না। যে আপনারা আসুন, তুর্কি সেফ জায়গা। তুর্কির সাধারণ মানুষ তাদের বিরুদ্ধে নয়। হোটেল, রেস্টুরেন্ট সমস্ত কিছুই আগের মতো অগ্রাধিকার রয়েছে। এমনকি স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকদের কোনও রকম সমস্যা হবে না। এখানেই প্রশ্ন শুরু উঠতে করেছে, হঠাৎ তুর্কিকে এই ধরনের স্টেটমেন্ট কেন দিতে হল? আসলে অনেকে বলছেন, তারা বুঝতে পেরেছে ভারতীয়রা এক জোট হয়ে গিয়েছে। তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে তুরস্কতে গিয়েছিল ২.৭ লক্ষ ভারতীয়। উল্লেখযোগ্য ভাবে ২০২৪ সালে সাড়ে তিন লক্ষ ভারতীয় তুরস্ক তে গিয়েছিল। এমনকি ২০২৫ সালের পাঁচ মাস ২০২৪ এর তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেড়েছিল।
অন্যদিকে আরও একটি দেশ যারা প্রকাশ্যে পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরোধিতা করেছিল। আজারবাইজান। এই দেশে ২০২৩ সালে ১.১৭ লক্ষ ভারতীয়। ২০২৪ সালে ২.৪৩ লক্ষ মানুষ। তুরস্কের ২০২৩ সালে ভারতীয়দের থেকে ৫০ কোটি মিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, এখন ৪০০০ কোটি টাকার ধাক্কা খেতে পারে তুরস্ক।
অর্থাৎ তুরস্ককে যদি ভারত বয়কট করে, তবে তারা ধাক্কা খাবে বিপুল পরিমাণে, সেটা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, এরপর তুর্কি পাকিস্তানের পাশে দাঁড়ায় কিনা।












Discussion about this post