ফের করোনা নিয়ে উদ্বেগ। স্মৃতি উসকে দিচ্ছে মহামারীর। ফের কি তবে লকডাউন! এই মুহূর্তে গোটা দক্ষিণ এশিয়ার জুড়ে দাপাচ্ছে করুণার নতুন ভ্যারিয়েন্ট JN1 covid 19। চিকিৎসক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি ওমিক্রমের সাব ভেরিয়েন্ট। নতুন এই আতঙ্ক শুধুমাত্র ভারতে নয়, চীন থেকে হংকং এবং সিঙ্গাপুরেও কাপাচ্ছে ওমিক্রিমের সাব ভ্যারিয়েন্ট। তবে কি সত্যিই 2020-21 এর পরিস্থিতি তৈরি হবে। তবে এই মুহূর্তে করোনার সামগ্রিক চিত্রটা কি গোটা দেশে? এই প্রশ্নটাই উঠছে। ইতিমধ্যেই ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে 1000 বেশি। শুধুমাত্র আক্রান্তের সংখ্যায় নয়, মৃত্যুর খবরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্রে থানেতে মৃত্যু হয়েছে এক যুবকের। এমনকি বেঙ্গালুরুতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। এখনও পর্যন্ত পরিসংখ্যান বলছে, কর্নাটকে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ ছুঁই ছুঁই। সব থেকে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা বেঙ্গালুরুতে হতে বলেই খবর। শুধু ভিন রাজ্যেই নয়, পশ্চিমবঙ্গের মাথাচারা দিচ্ছে করোনা। তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের সক্রিয়ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ জন। অর্থাৎ সতর্ক থাকার কথা বলছেন চিকিৎসকরা। অন্যদিকে করোনা ফের মাথা ছাড়া দিতেই কেরালায় এবং অন্ধপ্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মাস্কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এই সমস্ত রাজ্যে। সতর্কতার বার্তা দিয়েছে কর্ণাটক সরকার। ফের ২০২০ ২১ এর পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথা বলছে। এদিকে নতুনভাবে করোনার মাথাচারা দেওয়ার পিছনে দুটি সাব ভ্যারিয়েন্ট। NB 1.8.1 এবং LF.7 । এইসব ওয়ারেন্টের সংক্রমণ বেশি হলে তার মৃত্যুর হার বাড়বে না বলে আশ্বস্ত করছেন চিকিৎসকরা। এই সংক্রমণের উপসর্গ গুলি ঠিক কি কি? চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গলা ব্যথা, সর্দি কাশি, বমি বমি ভাব, মাথা যন্ত্রণা, ক্লান্তি, দুর্বলতা… এই সমস্ত উপসর্গগুলি দেখা দিলেই সচেতন আবার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে যাদের প্রতিষেধক মূলক ডোজ নিতে বাকি থাকলে সেগুলিও সম্পূর্ণ করার কথা বলছেন চিকিৎসক মহল। এছাড়াও মাস্ক পড়া, স্যানিটাইজার দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং উপরিক্ত উপসর্গ গুলো দেখা গেলে আলাদা থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমেরিকা কি ভারতের বন্ধু? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্যের নিরিখে বিচার করলে অবশ্যই বলতে হবে তিনি এবং তাঁর...
Read more












Discussion about this post