টানাপোরেন আরো প্রকট হচ্ছে পদ্মাপাড়ে। অন্তর্বর্তী সরকারের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস করল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সে দেশের সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা যে সমস্ত ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড সে খলিলুর রহমানকে ক্যান্টনমেন্টে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। সরকার কর্তৃক ষড়যন্ত্রে পাল্টা কঠোর অবস্থানে সেনাপ্রধান।
এনএসএ, পদ অনুযায়ী তিনি সেনাপ্রধানের থেকেও উপরে কিন্তু এটি পদের লড়াই নয়। এই লড়াই দেশমাতাকে রক্ষা করার অর্থাৎ দেশের সার্বভৌমত্ব স্বাধীনতা ও অখন্ড তাকে অক্ষুন্ন রাখার কঠোর লড়াই। অন্যদিকে সরকার ও তার উপদেষ্টা মন্ডলী দের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিদেশীদের হাতে তুলে দিয়ে একটি পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করতে। আর সেই পরাধীন দেশে রাজত্ব করবে মোহাম্মদ ইউনুস তার উপদেষ্টারা যাদের বিদেশ থেকে এনে উপদেষ্টা পদে বসিয়েছেন স্বয়ং মহম্মদ ইউনুস। কিন্তু তাদের এই পরিকল্পনার বিপরীতে গিয়ে রুখে দাঁড়িয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান ওয়াকারুজ্জামান। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এখন যে অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে আর পিছনর রাস্তা নেই তাদের।
এর মাঝে শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের ক্যান্টনমেন্টে একটি বৈঠক হওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়েছে এই বৈঠকটি যদি সত্যিই হয়ে থাকে সেখান থেকে কি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সেটিও এখন গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে। অর্থাৎ বাংলাদেশের এই অস্থির পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী মুখ্য ভূমিকা অবলম্বন করছে। যেখানে তাদের একটাই লক্ষ্য দেশকে শান্তি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে দেওয়া। ক্যান্টনমেন্ট এর সকল সেনার সদস্যই এখন সেনাপ্রধানের পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে সর্বশক্তি দিয়ে দেশকে রক্ষার উদ্দেশ্যে। আর এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান দেশজুড়ে সেনা শাসন জারি করার লক্ষ্য নেয় কিনা সেটা যদিও সময় বলবে।
কারণ বাংলাদেশের আমেরিকার হস্তক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, দেশের বাতাসে মিশে গিয়েছে বিদেশীদের বিষ। ফলে দেশের সাধারণ মানুষের পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত ভয়াবহ। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গেও বিরোধিতা দিন দিন বেড়েই চলেছে ফলে শুরুতে ভারত সময় করে চললেও ধীরে ধীরে এই ভারত বিরোধিতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত এখন কড়া হাতে ব্যবস্থা শুরু করেছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ব্যবসা বন্ধ করেছে বাংলাদেশের। বিদ সরবরাহ যদি আদানি গ্রুপ বন্ধ করে দেয় তবে আরো সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে দেশবাসীকে আর যেটুকু শিল্পকারখানা বেঁচে আছে সেটুকুও হয়তো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর দেশে যখন দেউলিয়া পরিস্থিতি হবে তখন পাশে থাকতে দেখা যাবে না চীন ভারত বা আরেকটি দেউলিয়া দেশ পাকিস্তানকে এমনকি তুর্কি র অবস্থা খারাপের দিকে হয়ে গেছে অর্থাৎ তুর্কি কেউ দেখা যাবে না বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে। অর্থাৎ এখন দেশের সমস্ত স্বার্থ রক্ষার একমাত্র আস্থা ভরসা দেশের সেনাবাহিনী।












Discussion about this post