অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে ভারত যথেষ্ট তৎপর। এবার জানা যাচ্ছে, তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে শেষ করে বাংলাদেশকে বিএসএফ বুঝিয়ে দিল অনুপ্রবেশ নিয়ে ভারত যথেষ্ট সতর্ক। এবং কোনও একশন নিতে পিছুপা হবে না। এত কিছুর পর বাংলাদেশের বর্তমান সরকার অনুপ্রবেশ নিয়ে মানছে না। শুধু তাই নয়, ভারতকে তারা চিঠি লিখছে। এমনকি বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনারের কাছেও একাধিক অভিযোগ জানানো হয়েছে। ফলে ইউনূস সরকারের দম শেষ। তবুও নিজেরা অনুপ্রবেশ আটকাতে পারছে না।
ভারত শেখ হাসিনার আমলে এমন কোনও একশন নেয়নি, যেটা বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে। অনুপ্রবেশ ধরা পড়লেও বিএসএফ দুই দেশের পতাকা মিটিং করে হস্তান্তর করে দিত। কিন্তু এখন সরাসরি একশন নিতে বাধ্য হচ্ছে। কারন সেভাবে ইউনূসের সরকার অনুপ্রবেশ নিয়ে মানতে রাজি হচ্ছেন না এবং দিনে দিনে ভারত বিদ্বেষ বাড়াচ্ছেন, তাতে ভারত একশন নিতে বাধ্য হচ্ছে। এমনকি এই সময় বিএসএফের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিচ্ছে ছাত্র নেতারা। জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরে কৃষাণগঞ্জে তিন চার জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ভারত সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করছিল। তারা নাকি সোনা পাচার করার চেষ্টা করছিল বলে খবর। ভারতীয় জওয়ানরা সতর্ক করার চেষ্টা করলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। প্রশ্ন ওঠে, সেই সময় কোথায় ছিল বিজিবি? এদিকে জানা যায়, অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে একজন বিএসএফের ওপর চড়াও হয় বলে সূত্রের খবর। তাই বিএসএফ পাল্টা আক্রমণ করতে বাধ্য হয়। তাতে মৃত্যু হয় ওই অনুপ্রবেশকারীর।
অন্যদিকে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ঠাকুরনগর সীমান্তে বাংলাদেশের কয়েকজন চোরাকারবারিরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে। একইভাবে বিএসএফ আটকানোর চেষ্টা করলে বিএসএফের ওপরই আক্রমণ চালায় তারা। উল্টে দুই অনুপ্রবেশকারীর ওপর গুলি চালায় বিএসএফ। তাতেই মৃত্যু হয় তাদের।
এতবার বিএসএফ এবং ভারতের তরফে সতর্ক করা হলেও কানে তুলছে না মহম্মদ ইউনূসের সরকার। ফলে ভারত একশন নিলেই ছাত্রনেতাদের তরফে হুমকি আসছে। কবে টনক নড়বে ইউনূসের সরকারের, সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন।












Discussion about this post