১৯৯৩ সালে একুশে জুলাই সচিত্র ভোটার কার্ডের দাবিতে তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে মহাগরণ অভিযানে গুলি চালানোর ঘটনায় পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী। তারপর ১৯৯৪ সাল থেকে লাগাতার একুশে জুলাই দিনটিকে শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৎকালীন যুব কংগ্রেস পরবর্তীতে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে আন্দোলন করতে গিয়ে যারা প্রাণ হারিয়ে ছিলেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজও ভোলেন নি তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেসের এই শহীদ সমাবেশে রাজ্যের সমস্ত প্রান্ত থেকেই আসেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা। প্রতিবছরের মতো ২০২৫-এ ধর্মতলায় শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে যখন বক্তব্য রাখছেন তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় অন্য প্রান্তে আমোদ প্রমোদ সহ মধ্যপানে ব্যস্ত একশ্রেণীর তৃণমূল সমর্থকরা। কোথাও রান্না হচ্ছে মাংস ভাত আবার কোথাও চলছে মদ্যপানের আসর, শহীদ সমাবেশে উঠে এলো এমনি ছবির।
খানাকুলের তৃণমূল কর্মী অশোক সিং বলেন, কিছু বেনে জল আমাদের সাথে ঢুকে গেছে তারাই দলের বদনাম করার জন্য এভাবে মদ্যপান করছে।
আরেক মহিলা কর্মী জানালেন রাস্তায় যানজটের জন্য দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে রয়েছেন একই জায়গায়। সে কারণেই রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে দলীয় কর্মীদের জন্য।
এখন প্রশ্ন যেভাবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহীদদের স্মরণ করেন এবং পরবর্তী একটি বছরের জন্য রাজনৈতিক দিশা দেখান দলীয় কর্মীদের সেখানে দাঁড়িয়ে আমোদ প্রমোদ সহ মদ্যপানের আসর চললে কিভাবে নেত্রীর বার্তা অঞ্চলে পৌঁছাবেন তার প্রিয় ভাইয়েরা।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post