২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত বঙ্গে বিজেপি নিজেদের মেলে ধরতে পেরেছিল। সংগঠন মজবুত হয়েছিল। কর্মী, সমর্থক বাড়তে শুরু করে। এমনকি সেবার বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের কথা মত ২০০ পার না হলেও ৭৭ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তারপর থেকে খুঁটি নড়বড় হতে শুরু করে। লোকসভা নির্বাচনে আসন বাড়াতে পারেনি সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারীরা। অনেকে বলে, এর কারণ দক্ষ সংগঠকের অভাব, এবং দলীয় কোন্দল। এবার শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার পরই জোরদার লড়াই শুরু করেছেন। শুরু করেছেন মিঠুন চক্রবর্তীকে দিয়ে। তার তারকা জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার করে দলীয় কর্মীদের মনবল চাঙ্গা করতে চার দিন সফরে এসে একাধিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন। তবে সাংবাদিক বৈঠকে কুনাল ঘোষের নাম উঠতেই মেজাজ হারান বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। সাংবাদিকের বুম তুলে ফেলে দিলেন। তবে চুপ নেই কুনাল ঘোষ ও। পাল্টা তোপ দেগেছেন তিনি।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার জোড়াসাঁকো এবং টালিগঞ্জ এ দলীয় কর্মীসভা করেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুক্রবারে যান আরামবাগে। সেখানে কুনাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয় বিজেপি নেতাকে। তাতেই মেজাজ হারান তিনি। তিনি প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকার করেন পাশাপাশি সাংবাদিকের বুম তুলে ফেলে দেন। মিঠুন জানান, ওই লোকটার নাম নিলে এখানে থাকবেন না। এমনকি কুনাল ঘোষকে পচা নর্দমা বলে অভিহিত করেন।
এদিকে প্রতিক্রিয়া দেন কুনাল ঘোষ। তিনি জানান, সংবাদিকদের প্রশ্ন পছন্দ না হতেই পারে। পারলে এড়িয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু বুম ধরে বেরিয়ে যান বলাটা শোভনীয় নয়। এমনকি বিজেপি নেতাকে তীব্র তোপ দেগে বলেন, গরমে টুপি ও মাফলার জড়িয়ে এলে এই আচরণটা খুবই স্বাভাবিক।
ফলে নির্বাচনের আগেই তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতি। আক্রমণ , পাল্টা আক্রমণে সরগরম। তারকা , রাজনৈতিক ব্যক্তি হয়ে কিভাবে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে পারেন বলে যেমন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক একইভাবে প্রশ্ন উঠছে, ব্যক্তিগত আক্রমণ নিয়ে। এখন দেখার, কোথাকার জল কোথায় গড়ায়।












Discussion about this post