বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাস করে সোনা গয়না সহ টাকা লুট করার অভিযোগ এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের বিরুদ্ধে। সিভিক ভলেন্টিয়ারের এই কর্মকান্ডের জানিয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় কোতোয়ালি থানারই সিভিক ভলান্টিয়ার পিন্টু দেবনাথকে।
অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার পিন্টু দেবনাথের পারিবারিক সম্পর্ক ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়েছিল। তার স্ত্রী ও সন্তান অনেক আগেই তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এর মাঝেই প্রায় দুই বছর আগে এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে তার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ, ওই মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় পিন্টু। সেই আশ্বাসে প্রভাবিত হয়ে ওই গৃহবধূ নিজের স্বামীকে ছেড়ে কন্যা সন্তানকে নিয়ে কৃষ্ণনগরের কাঁঠালপোতা এলাকায় পিন্টুর সঙ্গে ভাড়া ঘরে থাকতে শুরু করেন। প্রথমদিকে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকলেও, কিছুদিন পর থেকেই ওই মহিলার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু হয় বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, মহিলার অনুপস্থিতিতে পিন্টু তার ১২ বছরের কন্যার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে কাউকে কিছু জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেয় সে। ঘটনার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে মঙ্গলবার রাতে। এরপরেই পিন্টু মহিলার সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে হঠাৎ পালিয়ে যায়। কৃষ্ণনগরের পোস্ট অফিস মোড়ে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সহায়তায় অভিযুক্তকে ধরে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযোগকারী বলেন, আমরা একসঙ্গে কাঁঠালপোতায় ভাড়া থাকতাম। মঙ্গলবার রাতে আমার সমস্ত জিনিস পিন্টু নিয়ে পালিয়ে যায়। পোস্ট অফিস মোড়ে কিছু ছেলে আমাকে সাহায্য করে এবং ওকে ধরিয়ে দেয়। আমি প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। ও আমাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। নির্যাতিতার আরো অভিযোগ, গত কয়েকদিন আগে আবারো তার সোনার অলংকার ও টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। প্রতিবাদ করলে আইনের হুমকি দেখায় সিভিক ভলেন্টিয়ার পিন্টু। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাণ সংশয়ের আশঙ্খায় ভুগছে নির্যাতিতা।












Discussion about this post