বুধবার একদিনের রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। দিল্লি থেকে বায়ুসেনার বিমানে কলকাতা আসেন এরপর হেলিকপ্টারে কল্যাণী এইমসে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন। এরপরেই রাষ্ট্রপতি পৌঁছন দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে, মা ভবতারিণীর দর্শন আরতি করেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বুধবার কল্যাণীতে এইমস হাসপাতালের ক্যাম্পাসে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন। কল্যানী এমইস ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো সমাবর্তন অনুষ্ঠান এমবিবিএস স্নাতক মেধাবীদের সম্মাননা প্রদান করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এইমস কল্যাণী তার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ে পদার্পণ করল। ২০১৯ সালে ভর্তি হওয়া প্রথম এমবিবিএস ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি পিডিসিসি স্কলারদের স্নাতক ঘোষণা করা হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব, রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর প্রমুখ।
এদিন রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাবর্তনের সাথে সাথেই ব্যবহারিক জীবনে প্রবেশের শুভারম্ভ হয়, আজ থেকেই আপনাদের সবার সমাবর্তন শুরু হল। কিন্তু আপনাদের মনে রাখতে হবে, বিদ্যার অর্জন নিরন্তন চালু রাখার প্রক্রিয়া, যে বিদ্যালাভ করার কামনা করে তাঁকেই বিদ্যার্থী বলা হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নিত্যনতুন বদল হয়ে থাকে, নিজের ভিতরের বিদ্যার্থীকে সর্বদা জীবন্ত রাখুন, নতুন নতুন গবেষণার বিষয়ে জানতে থাকুন। এরপরই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, চিকিৎসকরা তাঁদের সামাজিক দায়িত্ব বোধের বিষয়ে সজাগ রয়েছেন, তাঁরাই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। আগে স্বাধীনতার সময় মানুষের গড় আয়ু ছিল 32 বছর, তা এখন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে 70 বছর হয়েছে। বিগত কয়েক বছরে টিকাকরণের ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে দেশে।
এরপরেই রাষ্ট্রপতি পৌঁছন দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে, তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ও অন্যরা। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু গর্ভগৃহে গিয়ে মা ভবতারিণীর দর্শন করেন মা ভবতারিণীর আরতি করেন রাষ্ট্রপতি। মন্দিরে তাঁদের স্বাগত জানান ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কুশল চৌধুরী।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার ঘটলো অবসান, নদীয়ার কল্যানী এমইস ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হলো সমাবর্তন অনুষ্ঠান এমবিবিএস স্নাতক মেধাবীদের সম্মাননা প্রদান করলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নদীয়ার কল্যানী এমইস ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু
এইমস কল্যাণী তার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ে পদার্পণ করল, যেখানে প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো ৩০শে আগস্ট, ২০২৫, দুপুর ৩,৩০ মিনিট থেকে এইমস্ কল্যাণী ক্যাম্পাসে। এই উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানে ২০১৯ সালে ভর্তি হওয়া প্রথম এমবিবিএস ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি পিডিসিসি স্কলারদের স্নাতক ঘোষণা করা হয়। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতী দ্রৌপদী মুর্মু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানকে সম্মানিত করেন পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় রাজ্যপাল ডঃ সি. ভি. আনন্দ বোস। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতাপরাও যাদব, ভারতের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী; শ্রীমতী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয়া স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী; এবং শান্তনু ঠাকুর ভারতের বন্দর, জাহাজ চলাচল ও জলপথ মন্ত্রকের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। স্বাস্থ্য, প্রশাসন ও শিক্ষাক্ষেত্রের আরও অনেক বিশিষ্ট অতিথি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। মোট ৪৮ জন এমবিবিএস ছাত্রছাত্রী ও ৯ জন পিডিসিসি স্কলার সমাবর্তিত হয়। তাঁদের মধ্যে ডাঃ কলরব মুখার্জি ‘সেরা উত্তীর্ণ ছাত্র’ হিসেবে পদক লাভ করেন এবং আরও তিনজন কৃতি ছাত্রছাত্রীকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়।এই সমাবর্তনে AIIMS কল্যাণীর যাত্রাপথে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল বুধবার, যা প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ চিকিৎসা নেতৃবৃন্দ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিকে দৃঢ়ভাবে প্রতিফলিত করে। এই অনুষ্ঠান শুধু স্নাতকদের জন্য নয়, বরং তাঁদের পরিবার, শিক্ষক, ও সমগ্র AIIMS কল্যাণী পরিবারের জন্য এক গর্বের ও স্মরণীয় মুহূর্ত সাক্ষী হয়ে থাকলো ……












Discussion about this post