বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের যোগ। এবার সরাসরি মুখ খুলল ভারতীয় বিদেশ দফতর। সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন। জানা যায়, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভারত ও মায়ানমারের কিছু অংশ দিয়ে তথাকথিত বৃহত্তর বাংলাদেশ দেখানো হয়েছে। এই বিতর্কিত মানচিত্রটি প্রদর্শনের তিন মাসের পর, প্রতিক্রিয়া জানায় ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সালতানাত-ই-বাংলা নামে একটি সংগঠন এই মানচিত্রের পিছনে ছিল বলে জানা গিয়েছে। তুরস্কের মদতেই ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে গ্রেটার বাংলাদেশ মানচিত্র তৈরি করেছে জেহাদিরা! সংসদে এমনই দাবি করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুধু তাই নয়, এই মানচিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীতেও দেখানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সরাসরি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত মহম্মদ ইউনূস। এবার একশনে ঝাপাবে ভারত। তারই এদিন ইঙ্গিত দিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তবে, ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের সরকারি ফ্যাক্ট-চেক ইউনিট দেশে এমন কোনও সক্রিয় গোষ্ঠী নাকি খুঁজে পায়নি এবং মানচিত্রটি একটি ইতিহাস প্রদর্শনীর অংশ ছিল বলে জানিয়েছে। সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরযেওয়ালা তুরস্ক সমর্থিত বাংলাদেশের এক গোষ্ঠী, যারা ওই মানচিত্র প্রচার করেছে, তাদের নিয়ে বিস্তারিত জানানো জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানান। তিনি প্রশ্ন করেন, ভারত সরকার কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে কি এটি নিয়ে আলোচনা করেছে? পাশাপাশি, এই পরিস্থিতিতে ভারতবর্ষের নিরাপত্তা নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র সরকার? এর উত্তরে এস জয় শঙ্কর জানান, গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত সরকার। প্রয়োজনে পদক্ষেপ করবে। ভারত সরকার নিজ দেশের নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল।
তিনি সংসদে জানান, ঢাকার একটি জেহাদি গোষ্ঠী ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ এই মানচিত্রটি প্রকাশ করেছে। তাদের মদত যোগাচ্ছে তুর্কি যুব ফেডারেশন নামে তুরস্কের একটি এনজিও। মানচিত্রটিতে ভারতের কিছু অংশকে অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে। এমনকী এই মানচিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রদর্শিত হয়েছে বলে খবর। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে গ্রেটার বাংলাদেশ মানচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়েছিল। তবে ভারত যে পদক্ষেপ করবে, সেটা বিদেশমন্ত্রীর কথাতে স্পষ্ট।
অন্যদিকে মাইল স্টন স্কুলের মাথায় যেদিন বিমান ভেঙে পড়ে, সেদিন কোথাও দেখা যায়নি প্রধান উপদেষ্টা কে। সূত্রের খবর, তিনি নাকি একটি গোপন বৈঠকে ছিলেন। সেখানে খলিলুর রহমানের কথা উঠে আসে। তিনি সেনাপ্রধানের ক্ষমতাকে বাইপাস করে মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তুরস্ক, পাকিস্তানের সঙ্গে ডিল করছেন। সেদিন বলা হয়, ২১ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের বিমান বাহিনী ইউনূস ঘনিষ্ঠ তুরস্কে গিয়েছে। বাংলাদেশের নেভি চিফও নাকি তুরস্কে গিয়েছেন। প্রশ্ন তখনই উঠেছিল, বাংলাদেশের এয়ার এবং নেভি চিফ সেই সময় তুরস্কে কি করছেন?অন্যদিকে তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক বাংলাদেশে এসেছিলেন। এবং তুরস্কের সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র লেনদেনের একটি আলোচনা হয়েছে। তবে ভারত সবটাই নজর রেখেছে। ভারত যে সহ্য করবে না। সেটা স্পষ্ট।
এছাড়াও জানা যায়, তুরস্ক, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মিলে একটি ব্লক তৈরি করার চেষ্টা করছে। কিছুদিন আগে আমাদের একটি হেডকোয়ার্টার রাজধানী ঢাকাতে তৈরি করা হয়েছে। সেই টাকা কে দিল? জানা যায়, তুরস্ক ফান্ডিং করেছে জামাতে হেডকোয়ার্টার বানাতে। তবে এবার ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কথা শুনে রাজনৈতিক ওয়াকিবহুল মহল বলছে, ভারত পাল্টা দাওয়াই দেওয়ার জন্য তৈরি। তখনই বুঝবে বাংলাদেশ এবং তুরস্ক।












Discussion about this post