একমাত্র বসতভিটা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে বন্যার জল। ১ বছর ধরে মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে ত্রিপলের ছাউনী, সরকারি সাহায্য থেকে বঞ্চিত পাঁশকুড়ার মানুর গ্রামের চক্রবর্তী পরিবার। সরকারী বাড়ি দেওয়া হবে বানভাসী পরিবারকে দাবি শাসকদলের। শাসক দল আলু দেওয়া ছাড়া কোনো সাহায্যই করেনি কটাক্ষ বিজেপির শুরু রাজনৈতিক তরজা।
চলতি বছর অতি বর্ষায় ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের বিভিন্ন জায়গা বন্যা কবলিত হলেও পাঁশকুড়া রক্ষা পেয়েছে। পাঁশকুড়ার বন্যার ১ বছর অতিক্রান্ত হলেও মানুর গ্রামের লক্ষীকান্ত চক্রবর্তী এখনো থাকেন ত্রিপল টাঙ্গিয়ে। সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে তিনি বঞ্চিত। বন্যার জল নামলে সরকারের তরফে বাড়ি হারা অনেকে বাড়ি পেলেও সরকারি কোনো সাহায্য পাননি লক্ষ্মীকান্ত। পেশায় পুজো পাঠ করে বেড়ান। বাড়ি ভেসে গেলে যাদের বাড়িতে পুজো পাঠ করতেন তারা এসে দুটি ত্রিপল দিয়ে ছাউনী বানিয়ে কোন রকমে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছে। কিন্তু তা আদৌ সুরক্ষিত সেই প্রশ্ন তুলছেন লক্ষীকান্ত বাবুর স্ত্রী। রোদে ত্রিপল গরম হলে সেই ছাউনী থাকার উপায় থাকেনা। বৃষ্টি তে মাটি ভিজে থাকায় ট্রিপলের ছাউনী ও কাজে আসেনা। বাড়ির মধ্যেই থিক থিকে কাদায় চলা দুষ্কর হয়ে পড়ে। সরকারি সাহায্য না পেলে দিন কাটানো দুর্বিষহ হয়ে উঠছে চক্রবর্তী পরিবারের। চক্রবর্তী পরিবারের আরো অভিযোগ বন্যার জন্য যে সাহায্যের বাড়ি এসেছিল, যাদের দ্বিতল বাড়ি রয়েছে তারাই তাদের ছেলে মেয়েদের নাম করে আত্মসাৎ করেছে। বিডিও,পঞ্চায়েতের দারেদারে ঘুরেছেন,কিন্তু পাননি সাহায্য।
তৃণমূলের তরফে জানানো হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী আবাস জোযনার টাকায় তাকে দেওয়া হবে খুব শীঘ্রই।
যদিও বিজেপির দাবি বন্যা দুর্গতদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন তারা। ওই বন্যায় একটু নব নির্মিত বাড়ি হেলে পরলে শুভেন্দু অধিকারী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার অনুদান দিয়ে সাহায্য করেছিলেন। সেই জায়গায় তৃণমূল পৌঁছেছিল এক বস্তা আলু নিয়ে। চক্রবর্তী পরিবার আর্থিক সাহায্যের কথা জানালে তারা অবশ্যই ওই পরিবারে পাশে দাঁড়াবেন।












Discussion about this post