বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের দশটি ব্লক সহ তিনটি পৌরসভার স্বাস্থ্যের মূল ভরসা বসিরহাট জেলা হাসপাতাল। আর সেই সরকারি হাসপাতাল যেন ডেঙ্গির আঁতূড়ঘর! বসিরহাটের সরকারি হাসপাতালে যত্রতত্র জমে রয়েছ জল। হাসপাতাল সহ সংলগ্ন এলাকায় যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আবর্জনা। ডেঙ্গির আতঙ্ক আতঙ্কিত রোগী সহ রোগীর পরিজনরা।
বসিরহাটের অত্যাধুনিক সরকারি হাসপাতাল যেন ডেঙ্গির আঁতূড়ঘর! জমা জলে বাড়ছে ডেঙ্গির আতঙ্ক আতঙ্কিত রোগী সহ রোগীর পরিজনরা। বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত থেকে সুন্দরবনের দশটি ব্লক সহ তিনটি পৌরসভার স্বাস্থ্যের মূল ভরসা বসিরহাট জেলা হাসপাতাল। যাও বসিরহাট পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের অধিনস্ত। আর সেই হাসপাতালে জ্বর, সর্দি ও কাশি সহ একাধিক উপসর্গ নিয়ে আট থেকে আশির রোগীরা চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসেন। আর হাসপাতালেই দেখা গেল এক ভয়াবহ ছবি। হাসপাতালের বাইরে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আবর্জনা। হাসপাতালের গেটের পাশেই বর্ষার জল জমে তৈরি হচ্ছে মশার লার্ভা। হাসপাতালে রোগীর পরিজনেদের বসার জায়গা তৈরি করা হয়েছিল তার আশপাশে জল জমে ডেঙ্গির লার্ভা জন্ম নিচ্ছে।
রোগীর আত্মীয়রা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাড়ি বাড়ি সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিয়ে বলেন তারা ডাবের খোলা, বাদ দেওয়া টায়ার, থার্মোকলের পেটিসহ একাধিক জায়গায় বর্ষার জল জমতে দেবেন না। তাই সাধারণ মানুষ বর্ষা আসলেই বাড়ির আশপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে বাধ্য হয়ে তারা বলছেন, আমাদের সতর্ক করা হয়। অথচ হাসপাতালের পরিকাঠামো একেবারেই মলিন। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। একদিকে নর্দামায় নোংরা জল জমে রয়েছে। সেখানে জন্ম নিচ্ছে মশার লার্ভা অন্যদিকে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী যত্রতত্র ফেলে দেওয়ার জন্য তা থেকে দুর্গন্ধ বার হচ্ছে যা একেবারেই অস্বাস্থ্যকর। তাই প্রশাসনকে বলব অবিলম্বে হাসপাতালের পরিছন্নতার দিকে নজর দিক তা না হলে সুস্থ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে।
পুরো বিষয়টি নিয়ে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রবিউল ইসলাম গায়েন পুরো দোষটাই চাপিয়ে দিলেন বর্ষার উপরে। তিনি বলেন, “প্রতিনিয়ত আমাদের হাসপাতালে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। এখন বর্ষার সময় দুই এক জায়গায় জল জমে থাকতেও পারে। তবে পৌরসভা তারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ একটু বেশি থাকলেও আমরা পুরোপুরি কন্ট্রোলে রেখে দিয়েছি। এবং জ্বরের উপসর্গ নিয়ে যারা হাসপাতালে আসছেন তাদের ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।”
হাসপাতাল চত্বরে যেভাবে মশার লার্ভা জন্মাচ্ছে তাতে রোগীর পরিজনরা যথেষ্টই আতঙ্কের মধ্যে আছেন। বাড়ি থেকে তারা সুস্থ ভাবে এলেও হাসপাতাল চত্বরে আদৌ সুস্থ থাকতে পারবেন কিনা সেই নিয়ে তারা যথেষ্টই চিন্তিত।












Discussion about this post