পাকিস্তান থেকে বারবার বাংলাদেশ সফর আসছে নেতা থেকে শুরু করে গুরু্ত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা। তাদের একটাই লক্ষ্য বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থেকে দখলে রাখা। অর্থাৎ সেনাবাহীনির সব ক্ষমতা যেন পাকিস্তান পন্থি কোন সেনার হাতে থাকে।সেই বিষয়গুলিকে নিশ্চিত করা।সম্প্রতি উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসবেন ২৩ আগস্ট। কিন্তু তার সফরের আগেই পাকিস্তান থেকে জোর চাপ দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশকে যাতে বাংলাদেশের সেনাবাহীনি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলিতে পাকিস্তান পন্থী লোকজনদের নিয়োগ দেওয়া হোক। যাতে পাকিস্তান পন্থী রাজনীতির মানুষেরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পান।এবং পাকিস্তানে আবার ফিরে যেতে পারে। আর সেই জন্য তাদের বিশেষ লক্ষ্য হল সেনাপ্রধানের পদে পাকিস্তান পন্থি কাউকে বসানো। কিনতু সেনাপ্রধান পদে যদি পাকিস্তনা পন্থী কাউকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব নাও হয়, তহলে একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পদে চার তারকা জেনারেল বানিয়ে ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহিল আমান আযমীকেই মানে গোলাম আজমের ছেলে কেই বসাতে চাইছে পাকিস্তান, কিন্তু কেন সেটাও পরিস্কার করা হয়েছে, দ্যা ক্যাচ লাইনের সেই প্রতিবেদনে। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের দুই মন্ত্রী। পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান ২১ আগস্ট চার দিনের সফরে ঢাকায় আসবেন। আর দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার দুই দিনের সফরে ঢাকায় আসবেন ২৩ আগস্ট।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই দেশের নানা পর্যায়ের আলোচনাকে সক্রিয় করতে উদ্যোগী হয় পাকিস্তান। পাকিস্তান মনে করছে একটা দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ একটি বিরোধী শিবির মানে ভারতের সঙ্গে অবস্থান করছিল। এখন যেহেতু পাকিস্তানের একটি মিত্র সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তাই পাকিস্তান চাইছে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কটি পোক্ত করা এবং বাংলাদেশকে পাকিস্তানের মধ্যে নিয়ে আসা। পাকিস্তানের জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা দ্যা ডন বলছে বাংলাদেশকে পাকিস্তানে ফিরতেই হবে।এবং এই কাজটি করার এখনই সেই উপযুক্ত সময় এসেছে।আর এই পত্রিকা সরাসরি উপদেশ দিচ্ছে যে এই জন্য পাকিস্তানের প্রতি যার প্রেম দেশপ্রেমের মত। সেই জামায়েতের আমির গোলাম আজমের পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকেই হয় সেনাপ্রধান নয়তো একই সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা পদে চার তারকা জেনারেল বানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমীকেই পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে, এই চাপ বারবার পাকিস্তান থেকে আসছে বাংলাদেশের উপর।যদি এমন হয় তবে কি বাংলাদেশের পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হতে আর কোথা থেকে কোন বাধা আসবে। বা এই কাজে বাধা দেওয়ার মত ক্ষমতা আর কোন দফতরের থাকবে। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ, এই দুই দেশের দেড় দশকের শীতল সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে গত এপ্রিলে ঢাকায় এসেছিলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ। এরই ধারাবাহিকতায় ইসহাক দার ঢাকা সফরে আসছেন। তিনি তাঁর সফরে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের পাশাপাশি রাজনৈতিক স্তরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন।
অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব ঢাকায় আসতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।
পাকিস্তানের দুই মন্ত্রীর সফর, বিশেষ করে ইসহাক দারের ঢাকা আসার রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর সম্পর্ক পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বার্তা থাকবে ইসহাক দারের সফরে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post