ইড র সূত্র অনুযায়ী জীবনকৃষ্ণ সাহা চাকরি বিক্রি করতে একটি রেট চার্ট তৈরি করেছিল। এক এক ধরনের চাকরির জন্য বাঁধা ছিলএক এক ধরনের রেট চার্ট। ইডি র দাবি আইনের হাত থেকে বাঁচতে নগদে লেনদেন করতেন মুর্শিদাবাদের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং যেই টাকাটা ব্যাংকের মারফত নিতেন সেটা নিতেন ধাপে ধাপে। এর আগেও জীবনকৃষ্ণ সাহা সিবিআই এর হাতে গ্রেফতার হয়েছিল এবং সেই সময় যেসব তথ্য সিবিআইয়ের এর কাছে ছিল সেই সমস্ত তথ্য এই মুহূর্তে ইডির কাছে আছে বলে জানা যাচ্ছে । এবং সেই তথ্যনুযাই জীবন কৃষ্ণের দুই এজেন্টের নামের তালিকাও পাওয়া গেছে । বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের দুই এজেন্ট একজন সুব্রত সামন্ত রায় এবং কৌশিক ঘোষ এদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসা বাদ করতে চাওয়ার কথা প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থা আধিকারিকরা।জীবনকৃষ্ণ সাহা নবম ও দশম শ্রেণীর ক্ষেত্রে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য নিতেন পনেরো লক্ষ টাকা আর একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষকের চাকরির জন্য নিতেন কুড়ি লক্ষ টাকা। গ্রুপ সি চাকরির জন্য দশ লক্ষ টাকা এবং গ্রুপ ডি চাকরির জন্য আট লক্ষ। এবং এই টাকা দিয়েই জীবনকৃষ্ণের জমি কিনেছিলেন বলে জানা যায়।পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা নথি থেকে তিন হাজার আটশো চাকরিপ্রার্থী নামের তালিকা ও মিলেছে। কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি বহরমপুর মুর্শিদাবাদে। জানা যাচ্ছে নিয়োগ দুর্নীতিতে কামানো টাকা সাদা করার জন্যই কেনা হয় এই জায়গা জমি। এবং কেন্দ্রীয় সংস্থা এই সম্পত্তিতে নজর রাখছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি জানা গিয়েছে জীবনকৃষ্ণের আত্মীয়দের ওপরেও নজর আছে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকদের। জীবনকৃষ্ণের পিসি তথা সাঁইথিয়ার তৃণমূল কাউন্সিলর মায়া সাহার আজ বৃহস্পতিবার হাজিরা দেওয়ার কথা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এর পাশাপাশি আরো একটি খবর সামনে এসেছে জীবনকৃষ্ণের ড্রাইভার রাজেশ ঘোষ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দেখা থেকে শুরু করে লেনদেনের হিসাব সব কিছুতেই হাত ছিল রাজেশের বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি জীবনকৃষ্ণ বীরভূমের একটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভুয়ো প্রতিবন্ধী সার্টিফিকেট বার করিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করত।রাজেশ এর কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। বীরভূমে একাধিক কোল্ড স্টোরেজ ,রাইস মিলের মালিক এই জীবন কৃষ্ণ সাহা বোলপুরে একটি ফ্ল্যাট কেনেন এবং মাঝেমধ্যে সেখানে তিনি যেতেন বলেও জানা যাচ্ছে আর এই ফ্ল্যাট সংলগ্ন পাঁচ কাঠা জমি আছে বলেও জানা যাচ্ছে। সাঁইথিয়ায় পুর এলাকায় তেল কলও আছে জীবনকৃষ্ণের নামে।
একরকম দুর্নীতির টাকায় চলতো জীবন কৃষ্ণের জীবন।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post