তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সাংসদ তথা তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে মামলা করলেন মিঠুন চক্রবর্তী।
কুনাল ঘোষের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাল্টা জবাব দেন কুনাল ঘোষ।
যে কিনা ঘন ঘন দল বদল করেন, যার নিজের কোন ও দলের মান নেই ,তার আবার মানহানির মামলা ,তবে আমি চাইছিলাম মিঠুনদা একটা মামলা করুক। সেই মানহানির মামলা করে যখন আমন্ত্রণ জানালো এবার আমিও সমস্ত চিটফান্ডের কাগজ নিয়ে হাজির হব। মোট চারটি চিটফান্ডে ওর বেনিফিশিয়াল, আমন্ত্রণ যখন করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী এবার আপনার সঙ্গে দেখা হবে।
একটি ভিডিওতে কুনাল ঘোষকে কে বলতে শোনা যায় মিঠুন চক্রবর্তী নাকি আমার নামে মানহানির মামলা করেছেন কোটি টাকার ,তবে জানিয়ে রাখি আমিও মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছি, সেই নোটিশ এখনো পাঠানো হয়নি। আমার আইনজীবী সুস্থ হলে দ্রুত তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
২০১৯ সালে পুলিশের কর্তা রাজীব কুমারের সঙ্গে কুনাল ঘোষ কে মুখোমুখি বসিয়ে সারদা মামলায় জেলা করেছিল সিবিআই। প্রাসঙ্গিকভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছিল তিনি রাজিব কুমারের মুখোমুখি হতে চান। জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব শুরু হয়েছিল মেঘালয়ের শিলং শহরে ,সারদা কান্ড তদন্তে রাজ্য সরকার থেকে যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছিল, তার উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে ছিলেন রাজীব কুমার এবং সেই দল থেকেই কুনাল ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, কুনাল ঘোষ মিঠুন চক্রবর্তীর ক্ষেত্রেও ঠিক সেই মডেলটি অনুসরণ করতে চাইছেন। কুনাল ঘোষের কথায় তিনি বলছেন আমি আদালতে গিয়ে বলব, আমাকে মিঠুনদার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হোক। সাক্ষী হিসেবে হাজির থাকুক সিবিআইয়ের এসপি। আমার কাছে এমন সাক্ষী আছেন যারা কোর্টে গিয়ে দাঁড়ালে মিঠুনদার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।
অভিনেতার অভিযোগ, তাঁর ছেলে ধর্ষণ মামলায় যুক্ত বলে প্রচার করেছেন কুণাল ঘোষ, যা সঠিক নয়। এমনকী, তাঁর স্ত্রীও আর্থিক লেনদেনে জড়িত বলে কুণাল মন্তব্য করেছেন, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে মামলায়। মিঠুনের বক্তব্য, কুণালের ওই সব মন্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যমূলক।
সংবাদ মাধ্যমে কুণাল ঘোষের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী এবং আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গে কুণাল যে উত্তর দিয়েছিলেন সেই উত্তরে সন্তুষ্ট হননি বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। আর ঠিক সেই কারণেই তিনি মানহানির মামলা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
এই প্রসঙ্গ উঠতে কুণালের ঘোষের স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া, “যাঁর মান থাকে, তিনি তদন্তের ভয়ে এতবার দলবদল করেন নাকি!” কোর্টে দেখা হবে। আমিও ওঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছি। চার-পাঁচটি চিটফান্ডের সঙ্গে ওঁর কী সংযোগ ছিল, সেটা আমি কোর্টে বলব। বলব, পুরোটা সিবিআই তদন্ত করুক।”












Discussion about this post