রাজ্য সরকারের নিয়োগ দুর্নীতির কারণেপ্রায়২৬০০০ প্রার্থীরা চাকরি হারিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন এর পুরো প্যানেল বাতিল হয়ে যাওয়ার পর থেকেই ,চাকরি ফিরে পাওয়ার আর্জিনিয়েপ্রায়শইচাকরিহারাদের পক্ষ থেকেচলছিল, নানান ধরনের অভিযান।
শেষমেষ২০১৬ সালের এসএসসিপরীক্ষায়নিয়োগপ্রাপ্ত সমস্ত শিক্ষকরা যারা কোন রকমের দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না যারা যোগ্য প্রার্থী তারা একটা আশার আলো দেখতে পেলেন। ২০২৫সেপ্টেম্বর ৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর, এসএসসির যোগ্য শিক্ষকদের পুনরায় তাদেরপুরনোপদেফিরিয়েদেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। কখনো হাইকোর্টেআবার কখনো বা সুপ্রিম কোর্টে মামলার পর মামলা দায়ের করা হয়েছে চাকরি ফিরিয়েদেওয়ার আবেদন নিয়ে। চাকরিহারাপ্রার্থীরা যোগ্য ও অযোগ্যর তালিকা প্রকাশ করার আবেদন নিয়েরাস্তায়নেমেছিলেন এবংদিনের পর দিন কাটিয়েছেনরাস্তায়,শুধুমাত্র তাদের প্রাপ্য সম্মান এবং তাদের যোগ্যতায়পাওয়া চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য।
এরপরেসুপ্রিম কোর্ট থেকে অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়াহয়। এবং সেই তালিকা প্রকাশের পর আদালতের নির্দেশে যোগ্যপ্রার্থীদের পুনরায় আবেদনকরেপরীক্ষায়েবসারনির্দেশ দেন।কিন্তুযোগ্যপ্রার্থীদেরদাবিছিলঅযোগ্যদের তালিকা যখন প্রকাশ হয়েই গেছে তাহলে আবার কেন পরীক্ষা দিতে হবে ,এই পরীক্ষা দিতে নারাজ ছিল যোগ্য প্রার্থীরা। কিন্তু শেষমেষ আদালতের নির্দেশ মেনেই পরীক্ষায় বসেন তারা।
ইতিমধ্যেই বেশ কিছু শিক্ষক পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলর এর কাছে আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন। এবং আবেদনপত্র যাচাইয়ের পর মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে পুনরায় নিয়োগের জন্য স্বীকৃতি দেওয়াহয়েছে। এই সমস্ত শিক্ষকদের নাম পূর্বক্ত জেলা এবং তারা যে বিদ্যালয়েকর্মরত ছিলেন তার বিবরণ সহ একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য জেলার ডিস্ট্রিক্ট প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল গুলিতেও এই ধরনের তালিকা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে যে সমস্ত যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি হারিয়েছিলেন তাদের জন্য এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ব্যবস্থায় স্পষ্ট এবং ন্যায্য বিচার ফিরিয়েনিয়ে আসার জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।












Discussion about this post