রীতি – নীতি মেনে বাঁকুড়ায় দোলতলার মোলডুবকার বাড়িতে কালী পুজো করেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালে পুজোটি শুরু করেছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর দাদা স্বর্গীয় মহাদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যানার্জি পরিবারের এবছর পুজোর বয়স হল ১০০ বছর। পুজো শেষে মায়ের আরতি করেন সাংসদ। আরতির সময় কালী মা কে জড়িয়ে আবেগে কেঁদে ভাসান তিনি। আরতি শেষে তিনি বলেন, মায়ের কাছেই তো ছেলে কাঁদে। মায়ের কাছেই ছেলে হাসে। মা এর কাছে শক্তি চাইলাম, ভক্তি চাইলাম। মায়ের কাছে চাইলাম ২০২৬ শে বিজেপি যেন শূন্য হয়ে যায়। নরেন্দ্র মোদী আর অমিত শাহর মুখ যেন ভোঁতা হয়ে যায়। শুভেন্দুর মতো পাপী – তাপী গুলো যেন সরে যায়। পাশাপাশি তিনি মা কালীর কাছে তিনি বিশ্ব ও বাংলার শান্তি কামনার পাশাপাশি বলেন, মা মমতা দিকে আশীর্বাদ করুন। ২৬ শের ভোটে মমতা যেন অসুর দমন করতে পারেন। আশেপাশে অনেক শত্রু ঘুরছে, অসুর যেন দমন হয়।
অসুর প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুকান্ত মজুমদারকে কটাক্ষ করে বলেন, সুকান্ত অসুর অসুর দেখতে। তাই অসুর হিসেবে সুকান্ত একেবারে ক্যান্ডিডেট। একই সাথে শুভেন্দু অধিকারীকেও পাপী বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও আক্রমণ করে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়ে অমিত শাহ যে আচরণ করছেন তা এক ধরণের গুন্ডামি। আসলে তিনি গুজরাট থেকে গুন্ডামি করে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েছেন। দেশ জুড়ে গুন্ডামি চালিয়ে যাচ্ছেন।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এ ধরণের মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোড় জল্পনা। পাশাপাশি শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সারা বছর রাজনীতি ও ওকালতির কাজে শ্রীরামপুর ও কলকাতায় ব্যস্ত থাকার পর প্রতি বছরই কালী পুজোর এই দিনটিতে তিনি বাঁকুড়া আসেন। কালী পুজোর এই কয়েকটা দিন পরিবারের সাথে কাটাতে অত্যন্ত ভালো লাগে তার।
যাকে নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করেছেন সেই সুকান্ত মজুমদার এর প্রেক্ষিতে বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা বেশিদিন থাকলে মায়ের পুজো আর হবে না। শুধু বাঁকুড়া নয় গোটা পশ্চিমবঙ্গেই আর হবে না।
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সাথে হুমকি – ধমকির বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তৃণমূল এই সাংসদ। যা নিয়ে দেখা গেছিলো বিজেপির তরফে কড়া প্রতিক্রিয়া।












Discussion about this post