বৈশাখী দহন জ্বালায় পুড়েছে রাজ্য। চলতি সময়ের বৃষ্টি বেশ স্বস্তি দিয়েছে, তবে আজ মঙ্গল বারের পর এই বৃষ্টি মূলত বিদায় নেবে বঙ্গ থেকে। এরপরই বুধবার থেকে আবারও শুষ্ক আবহাওয়া ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। তবে এর মাঝেই রয়েছে সুসংবাদ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই রাজ্যে প্রবেশ করতে চলেছে ‘বর্ষা’ ঋতু। স্বাভাবিক সময়ের আগেই ১৯ মে জলীয়বাষ্প বঙ্গপো সাগর থেকে থেকে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবেশ করবে ‘বর্ষা’ র রূপ নিয়ে ।
তবে পাশাপাশি থাকছে ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল ‘ এর তান্ডব। বিগত বেশ কিছু বছরে রাজ্যবাসী সাক্ষী থেকেছে আয়লা, আমফান ও যশ এর মত শক্তিশালী ঘূর্ণি ঝড়ের। আবহাওয়াবিদ দের ধারণা, চলতি মাসের শেষে মূলত ২৪ মে ‘রেমাল’ প্রবেশ করবে বঙ্গে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শক্তি সংগ্রহ করে আসতে আসতে স্থলভাগে ধেয়ে আসবে এই ঝড়। তবে এই ‘রেমাল’ এর প্রভাব কোথায় কতটা পরবে সেটা এখনও বলা যাচ্ছেনা। হাওয়া অফিসের অনুমান এই ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পরতে পারে।
বিগত বছর গুলিতে চোখ রাখলে দেখা যাবে বছরের এই একই সময়ে এই ধরণের বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী থেকেছে বঙ্গবাসী। ২০০৯ এ ঘূর্ণিঝড় ‘আয়লা’ যার গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১২০ কিলোমিটার, যার দাপটে প্রাণ গিয়েছিলো শতাধিক মানুষের। এরপর ২০১৯ সালে ‘ফনী’ ছোবল! ২০২০এর ‘আমফান’ যার দাপটে ৮০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছিল। ‘ আমফান ‘ এর দগদগে ক্ষতর ওপরেই ফের আছড়ে পড়েছিল ‘ যশ ‘ তার তান্ডব ও ছিল বেশ চোখে পড়ার মত।
অর্থাৎ চলতি বছরেও রাজ্যে তড়িঘড়ি ‘বর্ষা ‘ র আগমনের জন্য গোটা রাজ্যেই বৃষ্টি শুরু হতে পারে ২৪ মে এর পর থেকেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। এই বর্ষা রাজ্যে স্বস্তি বয়ে আনলেও পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ‘ রেমাল ‘ এর পূর্বাভাস কিন্তু চিন্তার ভাঁজ ফেলছে বঙ্গবাসীর কপালে। এখন প্রশ্ন চলতি বছরও কী ভয়ঙ্কর ঝড়ের সাক্ষী হতে চলেছে বাংলা?












Discussion about this post