চিকেন ফ্রাইয়ের কথা বললেই আমাদের সবার আগে মাথায় আসে কেএফসির সুস্বাদু মুচমুচে চিকেন ফ্রাইয়ের কথা। এমনকি বিশ্বের ফাস্টফুডের তালিকায় ও জায়গা করে নিয়েছে এই কেএফসির চিকেন ফ্রাই। এখন আমাদের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে কেনো কেএফসির চিকেন ফ্রাই অন্য সব চিকেন ফ্রাইয়ের থেকে আলাদা।
কেএফসি চিকেন ফ্রাইয়ের গোপনীয়তা
কথায় আছে, মশলার গুনে রান্না। মশলা যত ভালো হবে ততই রান্না ও সুস্বাদু হবে। কেএফসির গোপন ১১ রকমের মশলা এই চিকেন ফ্রাইকে মুচমুচে সুস্বাদু করে তোলে। দুধ-ডিমের তরলে ভিজিয়ে তাতে ময়দা মাখিয়ে ব্রেডিং করা হয় কেএফসির চিকেন। তার আগে ১১ রকমের মসলা দিয়ে চিকেনের টুকরাগুলোকে মেরিনেট করা হয়।আসুন জেনে নেওয়া যাক ১১ মশলার নাম ও পরিমাণ।
1. ২/৩ টেবিল চামচ লবণ
2. ৩টেবিল চামচ সাদা গোলমরিচ
3. ১ টেবিল চামচ গোলমরিচ
4. ১/২ টেবিল চামচ পুদিনার রস
5. ১ টেবিল চামচ বিট লবণ
6. ১টেবিল চামচ সর্ষে
7.২ টেবিল চামচ ‘গার্লিক সল্ট’ (গুঁড়ো রসুন ও লবণের সংমিশ্রণে তৈরি মশলা)
8. ১ টেবিল চামচ আদা বাটা
9. ১/৩ টেবিল চামচ ওরেগানো
10. ৪ টেবিল চামচ পাপরিকা
11. ১/২ টেবিল চামচ থাইম
এবার জেনে নেওয়া যাক এর তৈরির প্রক্রিয়া
১.গ্যাসের তাপমাত্রা সম্পর্কে সচেতনতা
শক্তিশালী ডাচ ওভেন অথবা প্রেশার কুকারে ৩৫০ থেকে ৩৬০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ১২ মিনিট ভেজে তৈরি করা হয় কেএফসির জনপ্রিয় চিকেন ফ্রাই। তারা শক্তিশালী গ্যাস ফায়ার ব্যবহার করে থাকে তাদের মুচমুচে চিকেন ফ্রাই তৈরি করতে।
২.টেস্টিং সল্ট-র গোপনীয়তা
একটি বিশেষ গবেষণা থেকে জানা গেছে, কেএফসি তাদের ফ্রায়েড চিকেনে বিশেষ ধরনের টেস্টিং সল্ট ব্যবহার করে থাকে যা তাদের চিকেনকে করে তোলে আরও বেশি মজার ও মুচমুচে।
৩. ব্রেডিং করার সাথে সাথেই ভেজে ফেলা
কিএফসি দেরি না করে তৎক্ষণাৎ তাদের চিকেন কে ভেজে ফেলে। অর্থাৎ ফ্লাওয়ারে ব্রিডিং করার সাথে সাথে তেলে ছেড়ে দেয়।ব্রেডিং করার পর দেরি হলে চিকেনের ওপরের আস্তরণ চিকেন থেকে আলগা হয়ে পড়ে এবং ভাজার পর মুচমুচে ভাবটা চলেও যেতে পারে।
৪. ভাজার পর চিকেনকে বিশ্রাম দিন
চিকেন ভাজার পরপরই পরিবেশন করে না। ভাজার পরও চিকেনকে তারা প্রায় ২০ মিনিট ১৭৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় ওভেনের মধ্যে বসিয়ে রাখে।এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিকেনের ভেতরটা আরও ভালো করে সেদ্ধ হয় এবং ওপরের অংশটুকুও যথারীতি মুচমুচে থাকে।











Discussion about this post