তৃণমূলের মহিলা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দলেরই প্রাক্তন যুব নেতাকে। আক্রান্ত নেতা কেদার দাস শশী পাঁজা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। আদতে এই ঘটনাকে অনেকেই বিধায়ক শশী বনাম কাউন্সিলর হিসেবেই দেখছেন
মঙ্গলবার সকাল থেকে টিভির পর্দা জুড়ে ছিল সাদ্দাম কাহিনী। কি করে ঘরের মধ্যে সুড়ঙ্গ করে বছরের পর বছর নকল সোনার কারবার করে ছি লেন সাদ্দাম তা ভেবেই একসা অনেকে। বিকেল থেকে ছবিটা পাল্টে যেতে লাগল। টিভির পর্দায় আরও একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ভেসে উঠল। এক মহিলাকে তেড়ে যেতে দেখা গেল মধ্য বয়সী এক ব্যক্তির দিকে। যিনি তেড়ে গেলেন তিনি কলকাতা পুরসভার 18 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুনন্দা সরকার। যার দিকে তেড়ে গেলেন তিনি ও তৃণমূল এর প্রাক্তন যুবনেতা কেদার দাস।
তৃণমূল কর্মী কেদার স্পষ্টতই মারধরের অভিযোগ করছেন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। টিভির ক্যামেরায় ভেসে ওঠা ছবিটিও একই দাবি করছে ( ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি নিউজ বর্তমান) । যদিও কাউন্সিলর অভিযোগ অস্বীকার করে জানান কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি। কেদার দাস পুরো কর্মীদের কাজে বাঁধা দিচ্ছিলেন। তাই প্রতিবাদ করেছেন। কেদারের হাতে থাকা ইট কেড়ে নিতে গিয়ে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন। প্রকাশ্যে কাউন্সিলরের এমন মারধরের ঘটনায় চমকে গিয়েছেন দলেরই অনেকে। কেন এমনটা ঘটল সেই খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল আদতে কাউন্সিলর সুনন্দা সরকারের সঙ্গে বিবাদ রয়েছে স্থানীয় বিধায়ক শশী পাঁজা র। আর কেদার দাস শশী পাঁজা র অনুগামী। তাঁদের বিবাদ দীর্ঘদিনের। অর্থাৎ ফের একবার গোষ্ঠী কোন্দলের অভিযোগ উঠে এল খাস কলকাতায়। প্রসঙ্গত লোকসভা নির্বাচনের আগে সুদীপ ব্যানার্জির সঙ্গে বিবাদের জেরে দল ছেড়ে ছিলেন তাপস রায়। তিনি এখন বিজেপিতে। সেবার উত্তর কলকাতার তৃণমূল বড় প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছিল। ভোট মিটতেই উত্তর কলকাতায় আরও এক বিবাদের ছবি উঠে এল। তবে এবার শশী বনাম সুনন্দা।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post