যে কোন ক্রিকেটারের স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপ খেলার এবং অবশ্যই বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে নিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করার। এমনই স্বপ্ন নিয়ে ক্রিকেট শুরু করেছিলেন ২০২৪ এর টি-টোয়েন্টি কাপ জয়ী দলের সদস্য অক্ষর পাটেল।যিনি ২০২৩ এর একদিনের বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েও খেলতে পারেন নি চোটের জন্য।
দলে থেকেও বাদ গিয়েছিলেন তিনি।তখন বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা গ্রাস করেছিল বাঁহাতি অলরাউন্ডারকে। সেই সময় তিনি একেবারেই কমিয়ে দিয়েছিলেন মোবাইলের ব্যবহারও। জীবনের সেই চরম সময়ে অক্ষর পাশে পেয়েছিলেন স্ত্রী মেহাকে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেটজীবনের সেই কঠিন সময়ের কথা জানিয়েছেন অক্ষর। ভারতীয় দলে ফেরার জন্য কী নিদারুন পরিশ্রম করতে হয়েছিল তাকে। তখন অনেক কিছুই জীবন থেকে বাদ দিতে হয়েছিল,এমনকি মোবাইল ফোনও ব্যবহার করতেন না। অক্ষর বলেছেন, ‘‘এক দিনের বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে ভীষণ হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। প্রতিযোগিতার অল্পকিছুদিন আগে চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলাম। আগেও অনেক বার চোট লেগেছে। কিন্তু কখনও এত হতাশ হইনি। ঠিক করেছিলাম ১০০ শতাংশ সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরব। রিহ্যাবে ফাঁকি দিইনি। ট্রেনিংয়ে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলাম। ক্রিকেট ছাড়া মাথায় কিছু ছিল না তখন। কারণ ছোট থেকে আমার লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে আইসিসি ট্রফি জেতা। এ বার লক্ষ্য পূরণ হওয়ায় ভাল লাগছে।’’
তিনি আরও জানান কঠিন সময়ে পাশে পেয়েছিলেন স্ত্রী মেহাকে। ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘‘একটা সম্পর্কের মধ্যে অনেক ছোট ছোট বিষয় থাকে। যেগুলো সম্পর্ককে আরও সুন্দর করে তোলে। যে কোনও মানুষের সাফল্যের পিছনে তার জীবনসঙ্গীর অবদান থাকে। আমার সাফল্যের নেপথ্যেও মেহার অবদান কম নয়। ওর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চোট সারানোর পর নিজেকে ক্রিকেটে ডুবিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম। তখন অধিকাংশ সময় মোবাইল ব্যবহার করতাম না। আমি কী চাই, ও বুঝতে পেরেছিল। পাশে ছিল সব সময়। আমাকে আরও ভাল ক্রিকেটার হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে মেহা। ওর মতো জীবনসঙ্গী পেয়ে আমি সত্যিই ধন্য।’’ ২০২৩ এর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বেশ ভাল পারফর্ম করেছেন অক্ষর। বলের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও দলকে সাহায্য করেছেন। বিশ্বকাপ জিতে বাড়ি ফেরার পর অক্ষরের স্ত্রী বিশেষ রঙ্গোলি তৈরি করেছিলেন তাঁকে স্বাগত জানাতে। যে ছবি ভাইরাল হয়েছিল সমাজমাধ্যমেও। অক্ষর বলেছেন, ‘‘মেহা প্রায়ই রঙ্গোলি তৈরি করে, এমন নয়। ও এমন চমক দেবে ভাবতে পারিনি। বাড়ি ফেরার আগে মেহা শুধু বলেছিল, কোনও একটা কাজে ব্যস্ত রয়েছে। রঙ্গোলিটা করতে ওর দু’দিন সময় লেগেছে। ওর দেওয়া এই উপহারটা আমার কাছে অমূল্য। আমাকে জীবনের একটা বিশেষ মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। বলতে পারেন ওর ভালবাসা আমার জীবনকে পূর্ণ করেছে।’’ এই অল্প সময়ের ক্রিকেট জীবনে বহু উত্থান পতেনের সম্মুখীন হয়েছেন অক্ষর পাটেন। এর প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্ত্রী মেহাকে পাশে পেয়েছেন অক্ষর। তাই নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে আবেগ প্রবন হয়ে পড়েন তিনি।
বৃহস্পতিবার ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় পাঞ্জাব কিংস বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস এর ম্যাচ। কিন্তু হামলার আশঙ্কায় ম্যাচ শেষ করা সম্ভব হয়নি। প্রথম...
Read more












Discussion about this post