মঙ্গলবার তৃতীয় মোদী সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। এই বাজেটে সার্বিকভাবে কোনও বিরাট ঘোষণা না থাকলেও এনডিএ-র দুই শরিক দল জেডিইউ এবং টিডিপি শাসিত দুই রাজ্যের ঝুলি ভরিয়ে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। সেই নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে ইন্ডিয়া জোট। তাদের মতে, এই বাজেট কুর্সি বাঁচাও বাজেট। কেউ কেউ আবার বলছেন, এতো নীতিশ-নাইডুর বাজেট। বাজেট থেকে পরিষ্কার, কেন্দ্রে সরকার টিকিয়ে রাখতে মোদী নীতিশ-নায়ডুর ওপর ঠিক কতটা নির্ভরশীল। বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলির সঙ্গে বঞ্চনা করা হয়েছে, এই অভিযোগ এনেই বুধবার সংসদে বিক্ষোভ দেখানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইন্ডিয়া জোট।সকাল সাড়ে ১০টায় তারা সংসদের সিড়িতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করে।
এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বাজেটে এভাবে বৈষম্য, এটা অনুচিত’। একই সুর সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের গলাতেও। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর মতে, নির্মলার বাজেট আদতে সারশূন্য।
বুধবার এই বাজেটের প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভে সামিল হন বিরোধী সাংসদরা। এদিন সংসদের বাইরে প্ল্যাকার্ড হাতে দেখা গেল রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, ডেরেক ওব্রায়েন, অখিলেশ যাদবদের। এই বাজেটে বাংলাকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদরা। এর পাশাপাশি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও বাজেটে বঞ্চনার অভিযোগে আগামী ২৭ জুলাই নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানা গিয়েছে।
কেন্দ্রের জোটনির্ভর এনডিএ সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে বাংলা-সহ অধিকাংশ রাজ্যের প্রতি বঞ্চনা এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির জোটসঙ্গীদের প্রতি ঢালাও বরাদ্দের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব অনেক আগেই দক্ষিণ এশিয়ায় পড়তে শুরু করে। দেখা দিয়েছে জ্বালানি সংকট। বাজার অগ্নিমূল্য। ভারতে এর প্রভাব যতনা...
Read more












Discussion about this post