আরজি করে মহিলা চিকিৎসক খুনে মূল অভিযুক্ত এই সিভিক ভলান্টিয়ার। বর্তমানে তার ঠিকানা প্রেসিডেন্সি জেলের পহেলা বাইশের কুঠুরিতে। ঘটনার পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। পরে সিবিআই তাকে হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তবে সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্সি জেলে গিয়ে তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়। রবিবার সকালে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে যায় সিবিআই-এর একটি দল। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারেই পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হবে সঞ্জয়ের। তৈরি করা হয়েছে নির্দিষ্ট প্রশ্নমালাও। সূত্রের খবর, রবিবার দুপুর ১২টা ৪০ নাগাদ আলিপুর প্রেসিডেন্সি জেলে সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয়। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয় আরজি কর কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয়ের। এদিকে মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, লাই ডিটেক্টর টেস্টে সঞ্জয় রায় বলেছে, ঘটনাস্থলে ওই তরুণীকে মৃত অবস্থায় দেখে তিনি ঘটনাস্থল থেকে ভয়ে পালিয়ে যান। এর আগে, যখন কলকাতা পুলিশ সঞ্জয়কে গ্রেফতার করে, তখন তিনি ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ স্বীকার করেছিল বলে জানা গিয়েছিল। এরপর সঞ্জয় সদ্য দাবি করেন, যে তিনি নির্দোষ। তারপরই এই টেস্ট হয় সঞ্জয়ের। জেলে থাকা গার্ডদের সঞ্জয় বলেছে, সে এই ধর্ষণ ও খুনের বিষয়ে কিছু জানতেন না।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধানকে নিয়ে ভারতের সেনাপ্রধান মুখ খুলতেই কি নড়েচড়ে বসল, ইউনূসের জামাতী সরকার। ভারতের সেনাপ্রধানের আশ্বাস এবং বিশ্বাস ছিল দুই...
Read more












Discussion about this post