বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর মধ্যেই ভাগাভাগি হয়ে গিয়েছে। আর সেই আশঙ্কা থেকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান
রাশিয়া সফরে করেছিলেন নিজের সেফটি, সিকিউরিটি সিকিউর করতে? এমন আলোচনা চলছে বাংলাদেশে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে। তার মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে রুশ জাহাজ। অর্থাৎ এটি কিসের ইঙ্গিত? উঠছে প্রশ্ন।
আসলে শেখ হাসিনার জমানা শেষ হতেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। প্রবল সংকটের মধ্যে আছে বাংলাদেশের মানুষ। সেই দায়ভার যেমন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে নিতে হবে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের উপর দায় বর্তায়। কারণ বাংলাদেশের বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের উদ্ভট পরিস্থিতির ওপর যদি সেনাবাহিনীর প্রথম থেকে লাগাম থাকতো, তবে এই বাংলাদেশ তৈরি হতো না। অনেক আগেই পরিস্থিতি আয়ত্তে আসত। তবে এখন খানিকটা সেনাপ্রধান বুঝতে পেরেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সক্রিয় হয়েছেন। সেনাবাহিনীকে রাস্তায় নামিয়েছেন। অর্থাৎ আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সিদ্ধ হস্তে ওয়াকার। শুধু তাই নয়, সেনাবাহিনীর মধ্যে যে ভেদাভেদ তৈরি হয়েছিল, সেটাও তিনি কঠোর হাতে দমন করেছেন।
এর মধ্যে তিনি রাশিয়া সফর করে এলেন। যে দেশটি ভারতের সঙ্গে অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ। ভালো সম্পর্ক। কাজেই সেনাপ্রধানের রাশিয়া সফর ঘিরে নানা জল্পনা উঠে আসছে।
একদিকে যখন সে দেশে সেনাপ্রধান রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন ঠিক তার আগেই সে দেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তিনি চীন সফর করেছিলেন। অর্থাৎ বরাবরের মতো এবারও একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে সেনাপ্রধান ও প্রধান প্রধান উপদেষ্টা দুটি বিপরীত মেরুতে অবস্থান করছেন। তাদের পরিকল্পনাও একেবারে বিপরীতধর্মী।
উল্লেখ্য, ১২ই এপ্রিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে একটি পোষ্টের মাধ্যমে জানানো হয়, সফরকালে সেনাপ্রধান রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেছেন। রাশিয়ার সেনাবাহিনী প্রধান, ডেপুটি ডিফেন্স মিনিস্টার এবং ক্রোয়েশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান।এর মধ্যেই বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে রুশ জাহাজ। কাজেই এর পিছনে বড়সড় কোনও পরিকল্পনা আছে সেনাপ্রধানের, সেটা পরিষ্কার।












Discussion about this post