রাষ্ট্র পরিচালনায় একের পর এক ব্যর্থতায় হতাশ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনুস ও তার উপদেষ্টা মহল। সাম্প্রতিককালে মোঃ ইউনুস ও তার উপদেষ্টাদের বক্তব্য ও স্ট্যাটাস এমনই বার্তা দিচ্ছে। তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার সমাজ মাধ্যমের পোস্টে তুলে ধরেছেন এমনই এক চরম হতাশার কথা।
সাম্প্রতিককালে অনেক উপদেষ্টাই ষড়যন্ত্রের আঁচ পাচ্ছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের এই ব্যর্থতার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা অর্থনীতি সহ বিভিন্ন বিষয়গুলিতে। সরকারের কথা ও কাজের মধ্যে বিস্তর তফাৎও লক্ষণীয়।
সম্প্রতি দ্যা গার্ডিয়ান এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ ইউনুস এর শাসনকালে বেড়ে উঠেছে জঙ্গি সংগঠনগুলি। রয়েছে তার শাসনকাল নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন। পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। দেশ এখন অস্থিতিশীল। অর্থাৎ চূড়ান্ত ব্যর্থ মোহম্মদ ইউনূস।
অন্যদিকে জো বাইডেন ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত ইউনুস। কিন্তু নয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্কভালো নয়, তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এর সাক্ষী গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প মোদির ওপরে ছেড়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বিষয়টি। এখন দেখার বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে এগোই। এবং ভারত কি পদক্ষেপ করে।
দ্য গার্ডিয়ানে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে গোটা বিশ্বের দরবারের বাংলাদেশের অবস্থান। প্রতিনিয়ত বাংলাদেশে খুন, ধর্ষণ, ডাকাতি বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি একই হয়ে রয়ে। আর এরমধ্যেই মার্চ ফর খিলাফতের ডাক হিজবুত তাহরীর। ঢাকা দখল করতে চায় এই নিষিদ্ধ গোষ্ঠী। আসলে বাংলাদেশে খিলাফত গড়ার ডাক দিচ্ছে তারা। শুক্রবার ঢাকার রাজপথে দেখা গেল শয়ে শয়ে মৌলবাদীকে মিছিল করতে। বাংলাদেশ কিভাবে সন্ত্রাসী দেশে পরিণত হচ্ছে, তার বড় প্রমাণ এদিন। যদিও এই সংগঠনটির মিছিল ছত্রভঙ্গ করার জন্য কাদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিস। রণক্ষেত্র হয়ে উঠে ঢাকার রাজপথ। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার আমলে হিজবুত তাহেরী কোনভাবেই বেড়ে উঠতে পারেনি। হাসিনার সরকার তা করতে দেয়নি। কিন্তু এখন গোটা দেশে চলছে নৈরাজ্য। ইউনূসের আমলে গোটা বাংলাদেসে নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠী গুলি মাথা চারা দিচ্ছে। আর এর সমস্যা ভোগ করতে হচ্ছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে।
খবর রয়েছে, মার্চ ফর খিলাফত কর্মসূচির ডাক দিয়েছে হিজবুত তাহেরি। আর তারপরই শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ঢাকার রাজপথে মিছিল বের করে কট্টরপন্থী মৌলবাদীরা। পরিস্থিতির আয়ত্তের বাইরে চলে যেতে পারে, এই আশঙ্কা থেকে রাজপথে নামে পুলিশ। ছোড়ে কাঁদানে গ্যাস। পুলিশের সঙ্গে হিজবুত তাহেরীর সদস্যদের ধস্তাধস্তি দেখা যায়। এরপর লাঠিপেটা শুরু হলে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিল। কিছুক্ষণের জন্য মিছিলের অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দেখে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। তবে কিছুক্ষণ পর আবারো তারা সংঘটিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকে।
পরে অবশ্য পুলিশ গ্রেনেড ছুড়লে আবারও ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিলটি। খবর রয়েছে, বেশ কয়েকজন হিজবুত জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
হিজবুত তাহেরির মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি মোহাম্মদ ইউনূসের আমলে বেড়ে উঠতেই তারা যেভাবে সংগঠন মজবুত করছে, তাতে ব্যর্থ হতে পারে বাংলাদেশের সরকার।











Discussion about this post