এই বছরের মধ্যেই নাকি বাংলাদেশে নির্বাচন হবে। বলছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস। কিন্তু হঠাৎ তিনি কেন নির্বাচনের জন্য তাগিদ দিলেন? এটা কি তার নতুন কোনও চাল? বাংলাদেশের ঐকমত্য কমিশনের দুই সদস্যের সঙ্গে যমুনায় আলোচনায় বসেন মোহাম্মদ ইউনূস। আর সেখানেই নাকি আলোচনা হয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হবে।
শনিবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় এই বৈঠক হয় বলে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ ও সদস্য বদিউল আলম মজুমদার। এছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত নেওয়া হচ্ছে। তবে খানিক পরই
বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সংশোধন করে জানানো হয়, ইতিপূর্বে ঐকমত্য কমিশনের দেওয়া প্রেস নোটে ভুলবশত নির্বাচনের সময় হিসাবে কেবল ডিসেম্বর মাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চেয়ারম্যান 2025 এর ডিসেম্বর থেকে 2026 সালের জুন মাসের মধ্যে নির্বাচন করার কথা জানান।
প্রেস উইং জানায়, বৈঠকে অধ্যাপক আলী রীয়াজ ও ড. বদিউল আলম মজুমদার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের প্রস্তুতি সম্পর্কে কমিশনের চেয়ারম্যানকে ওয়াকিবহাল করেন।
অর্থাৎ মোহম্মদ ইউনূস প্রথম দিকে নির্বাচন নিয়ে নিশ্চুপ ছিলেন। পরে সেটা নিয়ে কথা বললেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির চাপে পড়ে। বিএনপি’র মত শক্তিশালী দলগুলির নেতৃত্ব বিভিন্ন মঞ্চ থেকে হুংকার ছাড়ে। এমনকি অভিযোগ তোলা হয়, বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকার গড়িমসি করছে নির্বাচন নিয়ে। তারপরই চাপে পড়ে সম্ভাব্য দুটি সময় দিয়েছিলেন মোহাম্মদ ইউনুস। 2025 এর শেষে কিংবা 2026 এর মাঝামাঝি সময়ে। সেই সময় বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে ইউনুস এই কথা বলেছেন। তারপর কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। এখন তিনি ফের একই কথা বলছেন। এমনকি জনসচেতনতা করার কথাও বলা হচ্ছে। তবে কি সরকার গণ ভোট করবে? গণ ভোট করে কি জনমত যাচাই করবে? এমন নানা প্রশ্ন উঠে আসছে।












Discussion about this post