বাংলাদেশের সেনাবাহীনি হল এমন এক অজগর, যাকে সামলানোর ক্ষমতা বড় বড় রাজনীতিবিদ দের হয়নি। সেখানে ইউনূসএনজিও চালানো ব্যক্তি। তিনি কি করে, সেনাবাহীনির মত অজগরকে সামলাবেন। তাই তিনি ভুল করে অজগরের লেজে পা দিয়ে বসেছেন। এখন দেখার অজগর রূপী সেনাবাহীনি শুধু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকেই গিলে খায়, নাকি সঙ্গে পুরো উপদেষ্টামন্ডলী সহ তদরকী সরকারকেই গিলে খায়। সাত দিন আগে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বেশ কিছু সেনার বিরুদ্ধে গুম খুনের অভিযোগ এনে মামলা শুরু করে। আর সেই এক সপ্তাহ ধরে সেনাঅভ্যুত্থান অথবা আরও বড় বড় মাথাদের গ্রেফতার এমন বহু গুজবের পর, সরকারের সঙ্গে মোটামুটি একটা রফা হয়ে গেছে যে সেনাবাহীনি কোন ভাবেই অভিযুক্ত সেনা অফিসার দের আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পাঠাবে না, বা পুলিশের হাতেও তুলে দেবে না। এমনকি সাধারাণ বিচার ব্যবস্থার মধ্যেও আনবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যেমন কাউকে না জানিয়ে হঠাৎ করে সেনাঅফিসারদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরয়োনা জারি করে বিচারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে তেমন সেনাবাহীনিও সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে যে তারাও সেই গ্রেফতারী পরোয়ানাকে গ্রাহ্য করবে না। যদিও তারা জানাচ্ছে যে অভিযুক্ত সেনাকর্তাদের সেনাবাহীনি নিজেদের হেফাজতেই রেখেছে। কিন্তু সেনাবাহীনি এটা কাউকে জানানোর প্রয়োজন বোধ করেনি যে আটক হওয়া সেনাসদস্যরা কোথায় আছে। সরকারের ঘোষনা করা ক্যান্টনমেন্টের সাব জেলে নাকি অন্য কোথাও, তাদের কি আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রেফতার বলা যাবে নাকি তারা শুধুই আটক আছে। কারণআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মানেই পুলিশ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতারের ক্ষমতা নেই।ঢাকা সেনানিবাসের একটি ভবনকে ‘অস্থায়ী কারাগার’ ঘোষণার প্রসঙ্গে গত সোমবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আসামিকে যদি গ্রেফতার করা হয়, তাহলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে আনতে হবে। সেটা সংবিধান, ট্রাইব্যুনাল আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে আছে। তারপর আদালত তাকে যেখানে রাখতে বলবেন সেখানে রাখবে।’তিনি আরও বলেন, ‘কোন জায়গাকে কারাগার হিসেবে ঘোষণা করা হবে সেটা প্রসিকিউশন বা তদন্ত সংস্থার বিবেচ্য বিষয় নয়, আমাদের বিবেচ্য বিষয় হলো আইন অনুযায়ী কাজটা করতে হবে। কিন্তু সেনাবাহিনী এসবের কিছুই ধার ধারে নি। অন্যদিকে ইতালী থেকে ফিরেই দেশবাসীকে দুঃসংবাদ দিলেন মহম্মদ ইউনূস। তিনি একদিকে জানিয়েছেন যে অবৈধ বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার। আবার অন্যদিকে বলছেন যে ইতালির মেয়র নাকি তাকে কথা দিয়েছেন যে তিনি বিষয়টি দেখবেন। আসলে একজন মেয়রের কি এই বিষয়গুলি ঠিক করার কোন ক্ষমতা আছে। আবার তিনি আস্তে কথা বলায় তা শুনতে না পেয়ে ইতালির প্রেসিডেন্ট তার দিকে একটু ঝুকতেই, ইউনূস সাহেবের প্রেস সচিব সেই ছবি তুলে পোস্ট করে বলেন যে, এক ঘনিষ্ঠ মহুর্তে ইতালির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা। এই ধরণের চালাকি এবং মিথ্যাচার করে দেশের জনগনকে বোকা বানাচ্ছেন ইউনূসের সরকার। ইতালির মেয়রের অফিসে জোর করে গিয়ে বৈঠক করেছেন। এছাড়া আর কোন গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন নি।ইতালির সরকার তাকে কোন গুরুত্বই দেয়নি। অথচ জনগনের টাকায় তিনি বিদেশ ভ্রমনের শখ পূরণ করছেন।












Discussion about this post