বাংলাদেশের সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলে সেদেশের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতেও ব্যর্থ এখন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালের সরকার এমনটাই দাবি করছে বাংলাদেশের জনগণ। কিন্তু এই অবহেই পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষ হোক বা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতি, গত কয়েক মাসে বারংবার প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে ভারতের টাকা। কিন্তু বাংলাদেশের টাকা কিছুতেই যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে পারছে না ভারতের সামনে। সম্প্রতি ভারতীয় টাকার মূল্যবৃদ্ধি চাপে ফেলেছে বাংলাদেশের টাকাকে।
সূত্রের খবর বর্তমানে ভারতের ১ টাকার অর্থ বাংলাদেশের ১ টাকা ৪৩ পয়সা। অর্থাৎ ভারতের ১০০ টাকা,বাংলাদেশের ১৪৩ টাকা। আর এখানেই গত সাত দিনে ভারতীয় টাকার সর্বোচ্চ উত্থান লক্ষ্য করা গিয়েছে। আবার ৩০ দিনের হিসাব অনুযায়ী ভারতের ১ টাকা সর্বোচ্চ হয়েছিল বাংলাদেশের ১ টাকা ৪৪ পয়সা।
এক কথায় বলা যায় সাম্প্রতিককালে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের প্রভাব কাটিয়ে চাঙ্গা হয়েছে ভারতের শেয়ার বাজার। ফলে ভারতের শেয়ার মার্কেটে ভিড় জমাচ্ছেন বহু বিনিয়োগকারী।
প্রসঙ্গত সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সফরে গিয়ে লন্ডনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজিত সংলাপে অংশ নেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস। সেখানে প্রশ্নোত্তর পর্বে মোহাম্মদ ইউনুস জানান দেশের অর্থনীতি ‘শূন্য’ না, বরং শূন্যেরও নিচে এবং বিশাল পরিমাণ দেনা রয়েছে বাংলাদেশের।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন,ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘুষ, দুর্নীতি ও পাচারকার্যের কারণে দেশের অর্থনীতি ভয়াবহ খারাপ অবস্থায়। বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শেষ, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বসে পড়েছে বলে জানান,প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যে সরকারের শাসন কালে বাংলাদেশের প্রধান ভিত্তি পোশাক শিল্প ভেঙে পরে, একের পর এক কারখানার বন্ধ হয়ে যায়, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি পায় সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এখন দেশের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে ভঙ্গুর করে নিজের সমস্ত দায় চাপিয়ে দিতেই নানা রকম দাবি সামনে আনছেন।












Discussion about this post