কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রী এমন হয়নি, যে জনগণের তাড়া খেয়ে পোস্ট করা পোস্ট ডিলিট করে দিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের ক্ষেত্রে সেটাই হল। অর্থাৎ দেশের জনগণ যে সচেতন হচ্ছেন, সেটা স্পষ্ট। একটি মেটিকুলাস ডিসাইন করে ছাত্ররা আন্দোলন করে শেখ হাসিনা সরকারকে হটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিমান দুর্ঘটনাতে আসল ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছেন। সচিবালয়ের গেট ভেঙে ঢুকে পড়েন ছাত্ররা। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। অনেকে বলেছেন, এদিন থেকে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস রচনা শুরু হল। অন্যদিকে বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে সেনা প্রধান বা সেনাবাহিনীকে দেখা যাচ্ছে না। কেন? প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। তিনি কি পালিয়ে গেলেন? এমন কি কেউ কেউ বলছেন, এই পরিস্থিতিতে মহম্মদ ইউনূসও পালানোর পথ খুঁজছেন।
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস ফেসবুকে লিখেছিলেন, মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যারা অর্থ সাহায্য করতে চান, তারা উপরিক্ত ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের উল্লেখিত নম্বরে তা জমা দিতে পারেন।
হিসাবের নাম প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল
চলতি হিসাব নম্বর দিয়ে একটি নম্বর দেওয়া হয়। এবং সোনালী ব্যাংকের একটি একাউন্টের কথা বলা হয়েছে।
অর্থাৎ একটি দেশে দুর্ঘটনা ঘটেছে, আর সেখান থেকে চাঁদা তুলছেন প্রধান উপদেষ্টা। দেশের তহবিলে যে টাকা নেই, সেটা এবার প্রমাণিত হল। একটি দুর্ঘটনার খরচ কে মোকাবিলা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারকে। সেটা একটি সরকারের জন্য অত্যন্ত লজ্জা জনক। ইউনূসের সরকার না পারছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে, না পারছে সামাজিক ব্যাধি দূর করতে আর না পারছে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়াতে। যদিও সেই পোস্টটি তিনি ডিলিট করে দেন। তবে ডিলিট করার আগেই বাংলাদেশের বহু মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল সেই পোস্ট। এমনকি সেখানে মানুষ কমেন্ট করতে শুরু করে। সরকারের এই দৈন দশা মানুষের সামনে চলে আসে।
শেখ হাসিনার সরকার যেটুকু বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে এসেছিল দেশে, মহম্মদ ইউনূস ক্ষমতায় এসে সেটা তলা নিতে নিয়ে গিয়ে পৌঁছেছে। আসলে এই সরকারের মেটিকুলাস ডিজাইন করে নিয়ে আসা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ক্ষেত্র বদল করে দেওয়ার জন্য। এমন কি এটি ডিপ স্টেটের টাকা লাগানো হয়েছে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য।
এমনকি মঙ্গলবার দেখা গেল সচিবালয়ের গেট ভেঙে ছাত্রছাত্রীরা ঢুকে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে পরীক্ষা কেন? প্রশ্ন তোলেন তারা। আইন উপদেষ্টা কে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে রেখেছিল বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে সেনাপ্রধান কোথায়? তিনি কি পালিয়ে গেলেন? ফের আঙুল তুলছেন সাধারণ মানুষ।












Discussion about this post