গত বছরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার পতনের পর পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জল। বেড়েছে ভারতবিদ্বেষ। এমনকি শেখ মুজিবর রহমানের দেশকে ক্রমেই মিনি পাকিস্তান করতে উঠে পড়ে লেগেছে মৌলবাদীরা। এদিকে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন করে ব্যবসা, বাণিজ্য করছে বাংলাদেশ। তবে সেখানে থেমে থাকেনি। বাংলাদেশ সফর করেছে আইএসআই এর প্রতিনিধিরা। যে দেশের সঙ্গে যুদ্ধ করে কত সেনার রক্ত ঝরেছে, সেই দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে মোহাম্মদ ইউনূসের দেশ। বাংলাদেশের হাতে হ্যারিকেন ধরতে বেশি সময় লাগবে না। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশের পালা বদলে আলোড়ন পড়েছিল গোটা বিশ্ব জুড়ে। শুধু তাই নয়, ক্রমেই বেড়ে উঠেছিল ভারত বিদ্বেষ। এমনকি বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসা ছাত্রনেতারাও লাগাতার কুমন্তব্য করে গেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভারতের এর পাল্টা জবাব তেমন জোরালোভাবে দেয়নি। শুধুমাত্র কয়েকটি ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশকে পরিষ্কার করে দিয়েছে। উল্টে পাকিস্তানের গুন গেয়েছেন মোহাম্মদ ইউনূস। পাকিস্তানও সুযোগ নিচ্ছে। জানা যাচ্ছে, জানুয়ারি মাসে পাক সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসাবে বাংলাদেশে গিয়েছে আইএসআই। সূত্রের খবর, পাকিস্তান টিমে আইএসআই এর প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল আসিম মালিক ছিলেন। বাংলাদেশের উপকূল এলাকায় চট্টগ্রামের কক্সবাজারে আইএসআই এর কর্তারা জন বলে খবর। তাদের একটাই উদ্দেশ্য, ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছে ঘাঁটি বাঁধবে। ভারতের উত্তর পূর্ব অশান্তি তৈরি করবে তারা। এমনকি বাংলাদেশ সফরে গিয়ে আলফা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে আইএসআই কর্তারা। এমনকি মনে করা হচ্ছে, ভারতের সেভেন সিস্টার্স এ নজর রয়েছে পাকিস্তানের। সেখানে অশান্তি তৈরি করে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পরিকল্পনার মত খবর রয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে নাকি নৌ মহড়াতে যোগ দেওয়ার কথা বলে বাংলাদেশ। ভারতের ক্ষতি করতে নিজের দেশের জায়গা ছেড়ে দিতেও রাজি বাংলাদেশ। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক কার্যকলাপ অবাক করে দেওয়ার মতো। এ কেমন বাংলাদেশ? এদিকে বাংলাদেশের ঋণ বাড়ছে দিনে দিনে। কয়েকটি দেশের কাছে কোটি ডলার বাকি রয়েছে ঋণ। সূত্রের খবর, জাপানের কাছে ৯২১ কোটি ডলার, রাশিয়ার কাছে ৫০৯ কোটি ডলার। এমনকি ভারতের কাছে ঋণ করে রেখেছে বাংলাদেশ। যার পরিমাণ ১০২ কোটি ডলার। এমনকি বাংলাদেশে বস্ত্র, বিদুৎ ক্ষেত্রে ভারতের বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশের বৈদেশিক ক্ষেত্র ভারতের উপর নির্ভর। প্রায় সমস্ত জায়গাতে ভারতের উপর নির্ভরশীল বাংলাদেশ। কিন্তু তারপরও দেখা যাচ্ছে ভারতের সঙ্গে বিদ্বেষ তৈরি করছে। এর জন্য গোটা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে যে কোণঠাসা হতে হবে, সেটা বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। শুধু তাই নয়, কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতকে সমবেদনা জানিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা সাম্য কৌশল ঢাকার। কিন্তু ভারত যে সেটা টের পাচ্ছে, সেটা বোধ বোঝেনি ইউনূসের দেশ। এমনকি বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে ঘুরে পথে পাকিস্তান ভারত ঢোকার চেষ্টা করছে, সেটাও পরিষ্কার। এখন দেখার, পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে শুরু করেছে ভারত। এইবার যদি বাংলাদেশের উপর সেই নিয়ন্ত্রণ আরোপ হয়, তবে বাংলাদেশকে উঠে দাঁড় করাতে পারবে তো নোবেল জয়ী, উঠছে প্রশ্ন।












Discussion about this post