ভারতের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। মহড়া দিতে শুরু করল ভারতীয় নৌ বাহিনী। গুজরাট উপকূলে এই মহড়া চালানো হচ্ছে। চলবে ৩রা মে পর্যন্ত। আর এতেই পাকিস্তানে প্রবলভাবে আলোচিত হয়। হঠাৎ কেন তারা এই মহড়া দিচ্ছে? প্রশ্ন তোলা হয়। এমনকি যে জায়গায় এই মহড়া চলছে, সেখান থেকে করাচি বেশি দূর নয়। মাত্র ৮৫ কিলোমিটার দূরত্বে এই শরটিকে লিড করতে পারে যায়। তারা প্রথমেই লাইফ ফায়ার মিসাইল এক্সারসাইজ করতে শুরু করেছে। মিসাইল ছড়া হবে, এবং দেখা হবে যুদ্ধক্ষেত্রে এগুলি কতটা সক্ষম এবং শক্তিশালী। জানা যাচ্ছে, এই মহড়াতে ডেস্ট্রয়ার শিপ, ব্রহ্মস এবং আরও কতগুলি বেশ গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র মহড়ায় অংশ নিয়েছে। এমনকি জানা যাচ্ছে এই মহড়াতে ফোর গ্রিন মেসেজ ছাড়া হয়েছে। এটি একটি সেকিউররিটি প্রটোকলের অংশ। আর এই সমস্ত কিছু পাকিস্তানকে বার্তা দেবার জন্য যে ভারত করছে, সেটা বুঝেছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয় এরই পাল্টা ভারতকে বোঝানোর জন্য পাকিস্তানও করাচির কাছে শুরু করেছে মহড়া। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তান লড়বে কাকে নিয়ে! তার কারণ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তিনি নাকি নিখোঁজ। তিনি এই মুহূর্তে দেশে নেই। ফলে তারা এখন বিভিন্ন জায়গায় দারস্ত হচ্ছে। কখনও জাতিসংঘের প্রধান কে দিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রীকে ফোন করাচ্ছে। কিন্তু ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, যে সন্ত্রাস চলেছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করবে ভারত। অন্তত প্রতিবাদ তো চলবে।
তবে এই মুহূর্তে ভারত কি চাইছে? এখন এটাই সব থেকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। আসলে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেভাবে বিগত দিনের পাকিস্তান এবং আরো একটি প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ থেকে একের পর এক মন্তব্য ধেয়ে এসেছে, তাতে অন্তত তারা বোঝে ভারত বর্ষ বিশ্বের মাপকাঠিতে কোন জায়গায় বিরাজ করছে। শক্তি প্রদর্শন অনেক সময় প্রয়োজন। অন্তত প্রতিপক্ষদের বোঝানোর ক্ষেত্রে। পাশাপাশি ভারতের কাছে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যেন বোঝে ভারত যুদ্ধ টা নিজে থেকে চাইছে না।
অন্যদিকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেটা হল LOC ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন পাকিস্তানি সেনারা। এর আগে যেখানে LOC তে পাকিস্তানের পতাকা দেখা যেত, এখানে পাকিস্তানি সে না দেখা যেত, সেই ছবি দেখা যাচ্ছে না কার্যত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই নিয়ে খবর হচ্ছে, দেখা যাচ্ছে LOC থেকে পাকিস্তানি সেনারা নাকি পতাকা তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছেন। হয়তো তাদের অন্য পরিকল্পনা থাকতে পারে। তবে যে কোন ক্ষেত্রেই পালিয়ে যাওয়া মানে নৈতিক পরাজয়, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এখন দেখার, শেষমেশ কি করে পাকিস্তান।












Discussion about this post