১৭ মাস পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অনেক আলাদা। জনজীবন, নিয়মশৃঙ্খলা সব কিছুই কেমন পাল্টে গেছে। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকার আসার পর সব বদলে গিয়েছে। সেখানকার মানুষজন ভেবেছিল অন্যরকম পরিবেশ পাবে কিন্তু ইউনূস আসার পর তারা আরও বদ্ধ হয়ে গিয়েছে একপ্রকার। শেখ হাসিনাও এখন বাংলাদেশে নেই। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে না থাকাকালীন একের পর এক মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন দলীয় নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য। ঢাকা থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত এক উত্তজেনা ছড়িয়ে পড়েছে। এক গুমোট আবহাওয়া বিরাজ করছে যেন বাংলাদেশে। কেউ কেউ বলছেন ভোট হবার পর সব বদলে যেতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন ইতিহাস নতুন করে লেখা হতে পারে। আসলে কী হতে চলেছে? সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান সত্যিই কী দেশের রাজনৈতিক পদক্ষেপগুলো ঠিক করে দেবে , নাকি শুধুই সময়ের টেউ পরে সব শান্ত হয়ে ঠেতে পারে। কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম সব জায়গায় সেনাপ্রধান মাঠে নেমেছেন। তদারকি করা হচ্ছে সব জায়গায়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নির্বাচন মানেই অশান্তি। ভোট আদৌ সুষ্টুভাবে হবে নাকি সেটা সময়ের ওপর নির্ভর করছে। পরিস্থিতি অন্যরকম। ইউনূস বারবার একটা কথা বলছেন ভোট সুষ্ঠু ভাবে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। কোনও কারচুপি সহ্য করা হবে না। কিন্তু ইউনূসের কথার সঙ্গে কাজের যথেষ্ট ফারাক রয়েছে। দেখা যাচ্ছে সরকার সত্যি সিরিয়াস। অন্যদিকে তারেক রহমান ফিরে এসেছেন ঢাকায়। খালেদা জিয়ার জায়গায় এখন ঢবিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে বাড়তি অক্সিজেন। বিএনপির নেতা কর্মীরা বিশ্বাস করে , আগের মতোই নির্বাচন হবে। কিন্তু পরিস্থিতি আমূল পরিবর্তন হয়েছে। লক্ষ্যণীয় বিষয়, কিছু কিছু ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙা হচ্ছে। কিন্তু কেন ভাঙা হল তাঁর স্পষ্টত উত্তর কারোরই জানা নেই। সিসিটিভি ভাঙার ফলে অনেক প্রমাণ লোপাট হবার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রমাণ যদি থাকে তাহলে ভোটের কারচুপি করা যায় না। তাহলে যারা এই প্রমাণগুলো নষ্ট করছে তারা কী চাইছে প্রমাণগুলো সব নষ্ট হয়ে যাক। আগে কিছু করলে পার পাওয়া যেত কিন্তু এখন সেনাবাহিনী যথেষ্ট সজাগ। তারা সব দিকে নজর রাখছে। কোনও যদি কেউ অন্যায় করে তারা ছাড় পাবে না। বিএনপি, ইউনূসের পর এবার আসি জামায়েত ই ইসলামের কথায়,, জামায়েত ই ইসলাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল, ভোটের সময় অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকেন্দ্রে ৫ জন করে সেনা নিযুক্ত থাকুক। ৫ জন যদি নাও থাকে দুজন করেও যাতে সেনা নিযুক্ত থাকে। তাহলে ভোট হবে অবাধ। গোলমাল হবে না। তাদের দগাবি অত্যন্ত বাস্তব। শিবির নামে একটি সংগঠন রয়েছে। তারা ভোট কেন্দ্রে নজর রাখবে. কতজন গেছে ভোট দিতে সব তারা দেখবে। হাসিনা দেশ ছেড়ে গেছে ২০২৪। অনেকে বলছেন নির্বাচনের ফলাফল পেতে ৩ দিনের মত সময় লাগতে পারে কিনতু কেন ?
দেরীর কারণ ভোট মিলিয়ে মিলিয়ে দেখা হবে। এবারপ বলি খলিলুর রহমানের কথা তিনি তারেকের বিরুদ্ধে ঢাকায় লড়ছেন । তিনি স্পষ্ট বলেছেন, ভোটের আগে যারা ভোট চুরি করবেন ভাবছেন তারা সব ঠিক জায়গায় চলে আসবে। সব মিসিয়ে প্রস্তুতি চলছে। সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ পথ অবলম্বন করছেন। কারণ সেনাবাহিনী কারও পক্ষ নিয়ে কথা বলে না। তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে থাকে, ন্যায়ের পক্ষে থাকে। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এছাড়াও দেশের যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনী নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে থাকে। সেটা শান্তি মিশন হোক বা প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবিলা…পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে থাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এই মুহূর্তে আসন্ন বাংলাদেশে নির্বাচন। যাকে সামনে রেখে সমস্ত ধরণের প্রস্তুতি নিয়েছে সেনাবাহিনী। এমনটাই জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।












Discussion about this post