গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর অন্তবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। গত দেড় বছর ধরে আওয়ামী লীগের একাধিক আন্দোলন দেখেছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে সামনেই রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছে। নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশ বেড়ে গিয়েছে। জনগণও চায়, দ্রুত নির্বাচন হোক এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরে যাক বাংলাদেশ। ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, যাতে কোনও রকম কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেই কারণে একাধিক বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে নজর দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ফেলেছে একাধিক রাজনৈতিক দল। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। শুধু মুহাম্মদ ইউনূসের সরকার নয়, নির্বাচন কমিশনের তরফে একথা জানান হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা সরকারকে সরাতে যারা আন্দোলনে নেমেছিলেন যারা সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছিলেন, থানা ভাঙচুর করেছিলেন, মানুষকে মারধর করেছিলেন এবং যারা কারাগারে বন্দি ছিলেন তাদেরকে মুক্ত করে দিতে হবে এমনটাই বলা হয়েছে ইউনূসের তরফ থেকে। তাদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহার করে নিতে হবে। কিনতু একটা প্রশ্ন এরকম একটি সিদ্ধান্ত কোনও সরকারের তরফ থেকে নেওয়া যেতে পারে। যে অন্যায় করেছে তাকে ছেড়ে দিতে বলছে ইউনূস সরকার। মানবাধিকার সনদে বলা আছে, প্রত্য়েক নাগরিকের ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। ৫ অগস্টের সময় অনের আন্দোলনকারীদের হাতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মার খেয়েছিলেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা –কর্মীদের মেরেছিলেন,এছাড়াও নারীদের ওপর নির্যাতন করেছিলেন তাদের প্রত্যেককে ইউনূস কোনও শাস্তির কথা বলেননি। কিছুদিন আগেও বাংলাদেশের গণমাধম্যমের অফিস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, মেট্রোরেলের ৩, ৪ টি স্টেশন ভাঙা হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছিল, অসংখ্য় অসংখ্য ক্ষতি সঙ্গে, বঙ্গবন্ধুর মূর্তি ভাঙা, শেখ হাসিনার মূর্তি ভাঙা সব তো আছে। এগুলো ছাড়াও শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যারা দোষীদের তাদের শাস্তি হবে না সেই কথা অর্ডিন্যান্স জারি করে বলেছিলেন ইউনূস। একাধিক আইনজীবীর তরফ থেকে বলা হয়েছে, ইউনূসের এরকম একটি নির্দেশ হাস্যকর। যে অন্য়ায় করলে শাস্তি পাবে না। এই ধরনের অর্ডিন্যাস জারি করে রাষ্ট্র কাউকে নির্দোষ দাবি করতে পারে না। মঙ্গলবার ইউনূসের তরফ থেকে যে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, এই অধ্যাদেশ কতদিন থাকবে…. কতদিন এই অধ্যাদেশ জারি থাকবে পা আদৌ বৈধতা পাবে কিনা এই প্রশ্ন তো থাকছেই। সোমবারের এই অধ্যাদেশ জারির পর বাংলাদেশে নতুন করে আইন নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। যে ধরনের অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে তা কখনও সাংবিধানিক বৈধতা হতে পারে না।
২০২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড বলে যাকে গোটা বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।...
Read more












Discussion about this post