শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে বাংলাদেশের আলটপকা মন্তব্য করা নিয়ে বার বার সাবধান করেছে ভারত, কখনও ভারতের সেনাপ্রধান তো কখনও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। কিন্তু সরাসরি যুদ্ধের হুমকি দেয়নি কখনও। কিন্তু দেশের গৃহমন্ত্রী যে হুঙ্কার দিলেন তা কেবল আর ফাঁকা আওয়াজ নয়, এতদিন ভারতের ভয় ছিল বাংলাদেশে কোন অপারেশন করলে আমেরিকা তার বিরোধ করবে। আর চিন তো করবেই। কিন্তু এই কয়েক দিনের মধ্যে ভূ-রাজনীতিতে এমন কিছু ঘটেছে, যা সব হিসাব পাল্টে ফেলতে চলেছে। বার বার আমেরিকা বাংলাদেশকে সামনে রেখে ভারতকে বসে আনতে চেয়েছিল, কিন্তু বার বার তারাই বেকায়দায় পড়ে যাচ্ছিল। এতদিন চিনকে কাউন্টার করার জন্য বরাবর আমেরিকা ভারতকে শক্তিশালী দেখতে চেয়েছিল। কারণ একমাত্র ভারতই চিনের মোকাবিলা করতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ ইস্যুতে ভারতের বিরোধীতা করতে গিয়ে তারা চীনকে বেশী শক্তিশালী করে তুলছিল। শুধু তাই নয়, চীনকে বিভিন্ন ভাবে প্রতিরোধ করতে গেলে যে ভারতকে খুব বেশী করে প্রয়োজন এবং ভারতই একমাত্র বিশ্বস্ত দেশ, এখন হাড়ে হাড়ে সেটিও বুঝেছে আমেরিকা, তাই ট্রাম্প সরাসরি মোদিজিকে ফোন করে, ট্রারিফ সহ যা কিছু সমস্যা আছে দুই দেশের মধ্যে, তার মোটামুটি সব সমস্যা মিটিয়ে নিয়েছেন বলেই খবর। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের দাবীগুলিও মেনে নিয়েছেন বলেই জানা যাচ্ছে। বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের দৃষ্টি ভঙ্গি এবং আওয়ামীলীগ কে নিয়েই নির্বাচনকে যে তারা সমর্থন করবে তা পরিষ্কার বোঝা গেল, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের বক্তব্যে।
গত এক বছর ধরে চলতে থাকা ভারত আমেরিকার স্নায়ু যুদ্ধের শেষ হতে চলেছে। ভারত আমেরিকার এই যুদ্ধ দেখতে দেখতে মজা নিচ্ছিল বাংলাদেশ পাকিস্তান। বিশেষ করে পাকিস্তান এই সুযোগে ট্রাম্পকে বিশ্বমোড়লও বানিয়ে দিয়েছিল। যদিও আমেরিকা এখনও বিশ্ব মোড়ল মনে করে নিজেদের। এবং সেই দাপট তারা দেখিয়েও চলেছে। সে ভ্যেনেজুয়েলা থেকে ফিলিস্তিন হয়ে গাজা গ্রীনল্যান্ড অথবা ইরান। সব সময় খবরে থাকতে চেয়েছন ট্রাম্প। শুধু বসে আনতে পারেন নি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি কখনও আদানীকে ধরে টান দিয়েছেন, তো কখনও মোদিজীর ব্যক্তিগত জীবনে কালির দাগ লাগাতে চেয়েছেন। কিন্তু কোন ভাবেই যখন মাথা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মাথা নোয়াতে পারেন নি, উল্টে নিজের দেশেই পর্যদস্তু হয়েছেন বার বার। শুধু তাই নয় তার ভূল সিদ্ধান্তের কারণে ইউরোপও তার হাত ছাড়া হতে শুরু করেছে, এবং তারা ভারতের সঙ্গে মুক্ত বানিজ্য চুক্তি করতে প্রস্তুত। তখন তিনি বুঝেছেন কোন আওয়াজ না তুলে, মিশাইল বা পরমাণু বোমা না ফেলেও কিভাবে যে কোন দেশকে শেষ করতে পারে ভারত। তার উদাহরণ বাংলাদেশ পাকিস্তানের পর আমেরিকা নিজেই। ভারতের সঙ্গে ইউরোপের এই মুক্ত বানিজ্যের ফলে দেউলিয়া হবে বাংলাদেশ, আর পাকিস্তান তো এখন জঙ্গিস্তান ভিক্ষারীস্তান হয়ে এখন কবরস্থানে পরিনত হয়েছে।এই পাকিস্তানই আমেরিকার পায়ে পড় বার বার বলছিল দেশের খনিজ তেল মিনারেলস সব নিয়ে যাও আমাদের শুধু ডলার দাও। সেই পাকিস্তানকেই ডাকেনি আমেরিকা, সে দেশে হতে যাওয়া ক্রিটিক্যাল মিনারেলস সাবমিটে। যেখানে যাচ্ছেন ভারত থেকে এস জয়শঙ্কর। আবার কিছু দিন পরে ভারতে হবে এই সাবমিট। সেখানেও আসবে আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশ। কিন্তু পাকিস্তান যে বলছিল তাদের দেশে ক্রিটিক্যাল মিনারেলসএর পাহাড় রয়েছে, সেই চুরন খায়নি আমেরিকা। আর এই ক্রিটিক্যাল মিনারেলস এমন একটি খনিজ যা না থাকলে যে কোন দেশ একশ বছর পিছনে চলে যাবে। যার ৬০ শতাংশ উৎপাদন হয় চিনে এবং ৯০ শতাংশ ব্যবসা করে চিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আজও আলোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত...
Read more












Discussion about this post