জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় খোলা হল ঢাকাতে। জাতিসংঘের এই কার্যালয় বিশ্বের ১৮ টি দেশে রয়েছে। এবং সেই দেশগুলির বর্তমান পরিস্থিতি হল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। অর্থাৎ রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয় এর মাধ্যমে দেশের চাবিকাঠি অন্য এক দেশের হাতে তুলে দিলেন বাংলাদেশের অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। অনেকে বলছেন, দেশটিকে বিক্রি করার দিকে এক ধাপ এগিয়ে গেলেন তিনি। এই এই খবর যাতে সামনে না আসে, সেই কারণেই গোপালগঞ্জের মত একটা ঘটনা ঘটানো হল, এমনকি ৩৪ জন ভারতীয় নাবিক কে আটক করেছে বাংলাদেশ। আসলে ভয়ঙ্কর খেলায় মেতেছেন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস।
যে ১৮ টি দেশে জাতিসংঘের কার্যালয় রয়েছে, সেখানে বেশিরভাগ দেশে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। দেশের গৃহযুদ্ধ চরমে। রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান। অর্থাৎ বাংলাদেশের যে অমন পরিণতি হতে পারে, এমনটাই বোঝা যাচ্ছে। শেখ হাসিনার সময়ে জিডিপির মাত্রা বাড়তে শুরু করেছিল। এমনকি বৈদেশিক বিনিয়োগ অনেক বেশি এসেছিল। এছাড়াও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকাতে, ব্যবসা-বাণিজ্যর উন্নতি হতে থাকে। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতন হতেই একটু একটু করে ডুবতে শুরু করেছে ইউনূসের নেতৃত্বধীন বাংলাদেশ। তারমধ্যে বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের কার্যালয়।
সিরিয়া এবং প্যালেস্টাইন। এই দুটি দেশে জাতিসংঘের কার্যালয় রয়েছে। প্যালেস্টাইনের দিকে নজর রাখলে দেখা যায়, বর্তমানে ওই দেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয়। ইসরায়েল দেশটিকে প্রবল চাপে রেখেছে। তাতে কিছুই করতে পারেনি রাষ্ট্রসংঘ। সামান্য বিবৃতি দিলেও কোনওভাবেই একশন নেয়নি। আদেও কি শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারছে জাতিসংঘ? প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।
অন্যদিকে সিরিয়াতে জাতিসংঘের কার্যালয় রয়েছে। এই মুহূর্তে এই দেশের বর্তমান অবস্থা প্রত্যেকেই জানে। জানা যাচ্ছে, ফের ইসরায়েল বোমা বর্ষণ করেছে। সিরিয়াতে ধর্ম যুদ্ধ চরম জায়গাতে পৌঁছে গিয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কি এমন কিছু হতে চলেছে, প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। জাতিসংঘ বাংলাদেশকে করিডোর হিসাবে ব্যবহার করবে। তারা বহুদিন ধরে চাইছিল, এশিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে তারা কাজ করবে। এমনকি অস্ত্র তুলে দেবে আরকানদের হাতে। কারণ আরকানরা জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। আর এই জুন্টা সরকারকে সাহায্য করে চিন। আসল লড়াই চিনের সঙ্গে। আর সেটা বাংলাদেশকে সামনে রেখে। আর অনুঘটক হয়ে কাজ করছে জাতিসংঘ।
এদিকে শোনা যাচ্ছে, ৩৪ জন ভারতীয় নাবিককে আটক করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের তরফে বলা হচ্ছে, তারা নাকি সীমান্ত লঙ্ঘন করে ঢুকে পড়েছিল। আর দুটি ট্রলারকে আটক করেছে। এই জাহাজকে তারা নিজেদের দখলে রেখেছে।
অনেকে বলছেন, জাতিসংঘের কার্যালয় খোলাতে যাতে তেমন আলোচনা তৈরি না হয়, তাই গোপালগঞ্জের মতো একটি ঘটনা ঘটানো হল। ভারতীয় ৩৪ জনকে আটক করা হল। ভয়ঙ্কর খেলাতে মেতেছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। যেটা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য বিপদ নিয়ে আসবে। বলছেন বিশেষজ্ঞরা।












Discussion about this post