অর্থনীতির অধ্যাপক, শান্তির জন্য নোবেলজয়ী, এহেন মহম্মুদ ইউনূস এখন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। কিন্তু আপনি জানেন কি, তিনি আদতে ভারতের জামাই? বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার শ্বশুরবাড়ি এপার বাংলাতেই। ভালোভাবে বোঝাতে গেলে পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ বাজার এলাকাতে। মহম্মুদ ইউনূস এই বাংলার জামাইবাবু হলেও তাঁর যত রাগ এই ভারতের ওপর। যা এখন সোশ্যাল মিডিয়ার জোর চর্চার বিষয়।
আন্তর্জাতিক মহলে এখন একটাই চর্চার বিষয়, তা হল বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশ বলতেই নাম আসে মুহম্মুদ ইউনূসের। যিনি বাংলাদেশের তদারকি সরকারের মাথায় বসে রয়েছেন। ওপার বাংলার নানা অভ্যান্তরীণ বিষয় তো চর্চায় রয়েছেই। এইবার চর্চায় এল ইউনূসের প্রেম, বিয়ের প্রসঙ্গ। বিয়ের সূত্র ধরে বলতে গেলে, ভারতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তাঁর। হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। এপার বাংলার জামাই ডঃ ইউনূস। কিন্তু তারপরও কেন শ্বশুরবাড়ির দেশের উপর রাগ তাঁর? সেই তথ্যই জানাবো আপনাদের।
বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তাতে ভারতের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ রয়েছে মহম্মুদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকারের। স্পষ্টভাবে বলতে গেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতাদের। আর তাঁরাই মূলত দেশ পরিচালনা করছেন। মহম্মুদ ইউনূস আদতে তাঁদের হাতের পুতুল। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর চলছে নির্মমভাবে ধারাবাহিক অত্যাচার। ভারত-সহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলিতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের খবর বিচলিত করছে অনেককেই। ব্রিটেন-আমেরিকাও সরব হচ্ছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে। আসলে সেখানকার কট্টরপন্থী কিছু সংগঠন এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িত। যেহেতু তাঁদের ক্ষমতাবলেই বলিয়ান তদারকি সরকার, সেহেতু নড়েচড়ে বসছে না ইউনূস প্রশাসন। অনেকেই দাবি করছেন, ঘুরপথে মদত দিচ্ছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। কিন্তু কেন এত রাগ ভারতের উপর? এদিকে ভারতের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কের হদিশ মিলছে তাঁর। এপার বাংলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বহু পুরনো। মহম্মদ ইউনূসের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ি ভারতে। আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে পশ্চিম বর্ধমানের রানিগঞ্জ বাজার এলাকাতেই বেড়ে উঠেছেন আফরোজি ইউনূস। সেই সুবাদেই ভারতে আসা যাওয়া করেছেন নোবেলজয়ী। এমনকি, নোবেল জয়ের পরও ভারতে পা রেখেছিলেন ইউনূস।
প্রসঙ্গত, প্রথম স্ত্রী ভেরা ফরেস্তেনকোর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ইউনূসের পরিচয় হয় আফরোজির সঙ্গে। তিনিও বিদেশে শিক্ষাকতা করতেন। ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষক ছিলেন তিনি। সেখানেই দুজনের পরিচয় ও প্রেম গড়ে ওঠে নোবেলজয়ীর। সেই প্রেম বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়।
চলতি বছরে যখন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান হন মহম্মুদ ইউনূস, রানিগঞ্জ বাজারের শ্বশুরবাড়িতেও উঠেছি্ল খুশির হাওয়া। বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন ইউনূসের শ্যালক। তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে জানিয়েছিলেন, তাঁদের জামাই শুটকি মাছ খেতে ভালোবাসে। তবে অন্যান্য সমস্ত খাবার খেলেও পরিমাণে কম খান। বাংলাদেশে প্রায়শই যাতায়াত রয়েছে ইউনূসের শ্বশুরবাড়ির। নিয়মিত যোগাযোগও রয়েছে বলে খবর। কিন্তু পরবর্তীকালে সময় যত গড়িয়েছে, মুহাম্মদ ইউনূসের ভারতবিদ্বেষ তত সামনে এসেছে। এখন শ্বশুরবাড়ির লোকজনও তাঁকে নিয়ে খুব একটা কথা বলতে নারাজ।
Discussion about this post