বাংলাদেশ, বর্তমানে তারেক রহমানের হাতে। তিনি এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর হাতে এখন সব দায়িত্ব। সাধারণ মানুষের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, তাঁর জন্য একাধিক ব্যবস্থা নিচ্ছে তারেক রহমানের সরকার। একাধিক ভাতাও চালু করেছে তারেক রহমানের সরকার। বাংলাদেশের মানুষ নতুন করে এখন বলা যেতে পারে বাচতে শিখেছে। তারেক সরকারে আসায় তাদের প্রত্যাযাও এখন অনেক বেশী। কারণ মহম্মদ ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনকালে একাধিক ঘটনার সাক্ষী বাংলাদেশ। ভালো কিছু আদৌ ঘটেছে নাকি সেটা তো অনেক দূর। খারাপ বরঞ্চ বেশী। খুন,দাঙ্গা থেকে শুরু করে মব সন্ত্রাস বহু ঘটনা ঘটে গিয়েছে বাংলাদেশে। মানুষ চাইলেও মুখ খুলে কিছু বলতে পারেনি। তাদের কে দমিয়ে রাখা হয়েছে। আওয়ীমী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর ক্রমান্বয়ে অত্যাচার চালানো হয়েছে। শুধু যে নেতা-কর্মী তেমনটা কিন্তু না, সাংবাদিকদের ওপর প্রচুর অত্যাচার করা হয়েছে। গত দেড় বছের ওপার বাংলার গণমাধ্যম সমস্যায় পড়েছে।
১৮ মাসে ১৮৯ জন সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছে এবং ২৯ টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল ঘটেছে জানিয়েছে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। ৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তবর্তী সরকারের ১৮ মাস সরকারের সময় ভয়াবহ চাপে ছিল ওপার বাংলার সাংবাদিকরা। বৈষম্যবিরোধী নামধারী কিছু উচ্ছৃশৃঙ্খল মানুষ মবের শিকার হয়েছে। সাংবাদিকরা বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক চাপেও ছিল। প্রতিবেদনে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার পত্রিকার কার্যালয়ে নজিরবিহীনভাবে মব সৃষ্টি করে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, এসব ঘটনায় সরকারের ভূমিকা ছিল নিষ্ক্রিয় ও অকার্যকর। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে ১৮ মাসে ১৭৭০ জন সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শাসন আমলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগজনক চিত্র ফুটে উঠেছে। এমনকি সাংবাদিকদের বেতনেও কাটছাট করা হয়েছে। এবার আপনাদের মনে হতে পারে বেতনেও। হ্যা বেতনও। কারও বেতন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আবার কারও বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সাংবাদিকদের অনেক পাঠকের ইচ্ছাও পূরণ করা হয়নি।
পাশাপাশি, সরকারি এবং বেসরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকরা বলেন, এক কথায় যদি বলতে হয় তারা অথৈ জলে ছিল। অসীম রহমত এবং বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের আন্ডারে সাংবাদিকরা টিকে ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুটা করতে চাই ১৮ মাসের শেষ দুটি সময় দিয়ে। প্রায় ১৬ বছর হয়ে গেছে ভোট হয়না, তারপর উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হল, ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এল। পেশাগত দায়িত্ব পালনের জেরে কমপক্ষে ২৪৫ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের দাবি অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত হুমকি, শারীরিক লাঞ্ছনা এবং আইনী হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দীর্ঘদিন সাংবাদিক সুরক্ষা আইনসহ ১৪ দফা দাবিতে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসা বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামে’র কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর মনে করছেন, অবিলম্বে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এইসব সাজানো মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে দেশের চতুর্থ স্তম্ভ পুরোপুরি ভেঙে পরবে। এ ব্যাপারে এখনই কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি বর্তমান নতুন সরকারের তথ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপের কথআ জানিয়েছেন। ও সাজানো মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও সংস্থাটি দাবি করেছে। তাহলে নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন, সাংবাদিকদেরও ছাড়েনি মহম্মদ ইউনূসের সরকার। তাদের ওপরেও অত্যাচার করা হয়েছে আর সেইসব তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে একে একে। এখন দেখার, বিএনপির সরকারের ভূমিকা আগামী দিনে কী হয়।












Discussion about this post