উল্টো রথে উল্টো পথে রথে চড়ে মাসির বাড়ি থেকে বাড়িতে ফেরেন জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রা। এই দিনেই সমাজের চেনা চরিত্র গুলোকে উল্টো নিয়ে নিজে রিকশা টানলেন পুলিশ কর্মী বাপন দাস। নিত্যদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সওয়ারিদের টেনে নিয়ে যেতে অভ্যস্ত, তাঁদের রিকশায় বসিয়ে মহানগরীর রাজপথ ঘুড়িয়ে দেখালেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাস।
কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাস পাশাপাশি বর্তমানে সাংসদ সৌগত রায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী। চাকরীর সাথে সাথে সমান তালে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কাজ করে চলেছেন সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য। রক্তদান আন্দোলনের উজ্বল নক্ষত্র বাপন দাস। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাসের বিশ্বাস করেন মানুষের মধ্যেই ঈশ্বর বীরাজমান তাই সর্বদাই মানুষের সেবায় থাকেন তিনি। উল্টো রথে সমাজটাকে একটু উল্টে পাল্টে দেখতে চান কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাস। সেকারনেই কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাস প্রতি বছর উল্টো রথের দিন রিকশা চালকদের আসনে বসিয়ে রিকশা চালান নিজেই। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সাব-ইনস্পেক্টর বাপন দাস উল্টো রথের দিনে রিকশা চালকদের সম্মান জানাতে এই অভিনব উদ্যোগ নেন। তিনি রিকশা চালকদের আসনে বসিয়ে রিকশা চালান মহানগরীর রাজপথে। শুধু তাই নয় তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে নতুন গামছা ও মিষ্টিও তুলেদেন তাদের হাতে। এই বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। উল্টো রথের দিন বাপন দাস রিকশা চালকদের আসনে বসিয়ে রিকশা চালিয়েছেন। এই ঘটনাটি প্রতি বছরই কলকাতা শহরে একটি বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে। অনেকেই তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং তার এই মানবিক কাজের প্রশংসা করেন।
আজ সকালে শহরের বেশ কয়েকজন টানা রিকশা চালককে তাঁদেরই রিকশায় বসিয়ে, কলকাতার একাধিক উল্লেখযোগ্য স্থান ঘুরিয়ে দেখাই। পরে তাঁদের হাতে তুলে দিই সামান্য কিছু উপহার। আর এতে বেজায় খুশি রিকশাচালকরা। যাঁরা পেটের তাগিদে নিত্যদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সওয়ারিদের টেনে নিয়ে যেতে অভ্যস্ত, তাঁদের আজ সকালে রিকশায় বসিয়ে কলকাতার পোদ্দার কোর্ট, লালবাজার স্ট্রিট, বৌ বাজার ও বড়বাজার এলাকার একাধিক ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখালেন বাপন।












Discussion about this post