একেই বলে নাড়ির টান! দাম্পত্য কলহে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আটকে রয়েছে আইনি লড়াইয়ে। সেই লড়াইয়ের মাঝে অনন্য মাতৃত্বের নজির দেখা গেল কলকাতা হাই কোর্টে। প্রায় এক বছর পর মাকে দেখতে পেয়ে, বাবার কোল থেকে মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ল একরত্তি শিশুকন্যা। শুক্রবার যার সাক্ষী রইল বিচারপতি অমৃতা সিনহার ভরা এজলাস। বাবা মায়ের মধ্যে তিক্ততা বছরভর। শিশু জানে না তার ভবিষ্যত কি? ভরা এজলাসে মায়ের কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো একরত্তি সুকন্যা (নাম বদল) বিরল দৃশ্য ভরা এজলাসে।
“আমি মা এর কাছে থাকবো “নির্ভয়ে জানায় একরত্তি। শুনেই স্বামী – স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ ভাঙাতে উদ্যোগী বিচারপতি অমৃতা সিনহা।তৎখনাত বাবার কোল থেকে মায়ের কোলে বাচ্চাকে পাঠাতে নির্দেশ দেন বিচারপতি ।মঙ্গলবার মামলা শুনবে ।ততদিন বাচ্চা মার কাছে থাকবে । বাচ্চা কে আদালতে আসতে হবে।মা এর বাচ্চা মানুষ করার ক্ষমতা আছে কি না জানতে চান বিচারপতি । একসাথে থাকুন আপনারা ,প্রয়োজনে বাবা বাচ্চার ভরণ পোষণ দেবেন ।কিন্তু সেটা মামলা শোনার পর নির্ধারিত হবে।
বজবজের দম্পতি কলহ। আদালতে মামলা ।আদালত কক্ষে উপস্থিত বাবা মা ও বাচ্চা ।বাবার কোলে বাচ্চা। মা অনতি দূরে দাঁড়িয়ে। মামলার শুনানির সময় কাছে আসতে মার কোলে যাবার জন্য বাবার কানে কানে বলে বাচ্চা ।কিন্তু সেটা মাইকের সামনে তাই বিচারপতি সহ সবাই ।শোনার পর মানবিক রূপে বিচারপতির নির্দেশ ।”বাচ্চা মার কাছে যেতে চাইছে ওকে ওখানে যেতে দাও”। স্বামী কে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। দ্বন্দ্ব কমেনি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার জন্য স্বামী-স্ত্রী দু’জনের কাছে আবেদনও জানান বিচারপতি সিনহা। বাচ্চাকে নিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে ২ ঘণ্টা এক সঙ্গে সময় কাটানোর নির্দেশও দেন। ফের এজলাস বসলে স্ত্রী সংসার করতে রাজি হলেও স্বামী জানিয়ে দেন, তিনি বিবাহ বিচ্ছেদই চাইছেন। সন্তান কার কাছে থাকবে তা নিয়েও তৈরি হয় জটিলতা।
কারণ, ওই বধূ আর্থিকভাবে স্বাধীন নন। তিনি দাদাদের সংসারে থাকেন। অন্যদিকে সন্তানকে কাছ ছাড়া করতে নারাজ স্বামীও। মঙ্গলবার মামলা শুনবেন বলে জানান বিচারপতি সিনহা। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ঘটল এমনি দৃশ্য।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post