সপ্তম দফায় লোকসভা নির্বাচন শনিবার ১ জুন। শেষ দফায় বাংলার ৯ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ। আর এই দফাতেই নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছেন একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী। শেষমেশ জয়ের হাসি কে হাসবেন তা বোঝা যাবে ৪ জুন ফল প্রকাশের দিন।
যাদবপুর, কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, দমদম, বারাসাত, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, বসিরহাট এবং জয়নগর কেন্দ্রে ভোট। শেষ দফার নির্বাচন বেশ কয়েকটি আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আর এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে চলেছে যাদবপুর, কলকাতা উত্তর, দমদম এবং বসিরহাট কেন্দ্রে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি।
এক সময়ে বামেদের লাল যাদবপুরে এবার তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষ। এই কেন্দ্রে বাম কংগ্রেস জোটের সিপিআইএম প্রার্থী ছাত্র নেতা সৃজন ভট্টাচার্য। বিজেপির টিকিটে লড়ছেন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়।
কলকাতা উত্তর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ভরসা রেখেছে, সদ্য তৃণমূল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া তাপস রায়ের ওপর। বাম কংগ্রেস জোটের প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য লড়াই করবেন হাত চিহ্নে।
দমদমের বিদায়ী সাংসদ সৌগত রায়’র ওপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। এই কেন্দ্রে বামেদের প্রার্থী সুজন চক্রবর্তী। বিজেপির টিকিটে দমদম থেকে প্রার্থী হয়েছেন শীলভদ্র দত্ত।
লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার প্রায় আগে থেকেই শিরোনামে সন্দেশখালি। উত্তর ২৪ পরগনার এই সন্দেশখালি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হাজি নরুল ইসলাম। বিজেপির টিকিটে লড়ছেন রেখা পাত্র। সিপিএম প্রার্থী নিরাপদ সর্দার।
কপাল বা ভাগ্য বলে একটি কথা আছে? অনেকে ধরে নিয়েছিল তারাই সরকার গঠন করবে। এমনকী জামাতও সেটাই বিশ্বাস করেছিল। কিন্তু...
Read more












Discussion about this post