সংরক্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বিরোধিতায় বুধবার ভারত বনধের ডাক দিয়েছে ন্যাশনাল কনফেডারেশন অফ দলিত অ্যান্ড আদিবাসী অর্গানাইজেশন। বন্ধের প্রভাব, বিহার, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশে। বনধের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয়, তার জন্য তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। ১৪ ঘণ্টার এই ভারত বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বিহারে। দ্বারভাঙা ও আরাতে ট্রেন আটকে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। জাহানাবাদ, সহরসা ও পূর্ণিয়া জেলায় একাধিক জাতীয় সড়ক বন্ধ করে সকাল থেকে অবস্থান বিক্ষোভ দেখায় আন্দোলনকারীরা। বিহারের পাশাপাশি রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ সহ দেশের একাধিক রাজ্যেও বনধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বনধের কারণে রাজস্থানের জয়পুর, ভরতপুর, মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র সহ একাধিক রাজ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে স্কুল কলেজ। একাধিক শহরে বন্ধ করা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। এনএসিডিএওআরের দাবি সুপ্রিম কোর্টকে এই রায় প্রত্যাহার করতে হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট একটি মামলার রায়ে তপসিলি জাতি এবং জনজাতি সমাজের মধ্যে আর্থিকভাবে যাঁরা পিছিয়ে পড়েছেন, সেই অংশকে চিহ্নিত করে যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন তাঁদের সংরক্ষণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় সহ সাত সদস্যের বেঞ্চের মধ্যে ছ’জন ‘কোটার মধ্যে কোটা’-র পক্ষে রায় দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের পাশাপাশি একাধিক দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেয় এনএসিডিএওআর। বহুজন সমাজ পার্টি সহ একাধিক দল এই বনধকে সমর্থন জানিয়েছে। এনএসিডিএওআর’র দাবি, পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মধ্যেও এই শ্রেণিবিভাজন জনজাতি-উপজাতিদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করছে।












Discussion about this post