‘রাখে হরি মারে কে’ এই প্রবাদটি এই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক। অভিশপ্ত বিমানতিতে দুর্ঘটনায় ২৪২ জন যাত্রীর মধ্যে বরাত জোরে প্রাণে বাঁচলেন এই যাত্রী।আমদাবাদে বিমান দুর্ঘটনায় প্রথমে ২৪২ জনই মারা গিয়েছেন বলে খবর মিলেছিল। তবে সামনে এসেছে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন একজন যাত্রী বিশ্বাস কুমার রমেশ। এই খবর প্রকাশ্যে এনেছে সংবাদ সংস্থা ANI। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই যাত্রী। হেঁটে অ্যাম্বুল্যান্সে উঠতেও দেখা যায় তাঁকে।
ভয়ঙ্কর বিমান বিপর্যয়! সেই বিস্ফোরণের মাত্রা দেখে শিউরে উঠছে গোটা বিশ্ব।বিস্ফোরণে ঝোলসে প্রাণ হারিয়েছেন বিমানযাত্রীরা। তবে সামনে এলো এক অলৌকিক ঘটনা, অবিশ্বাস্যভাবে প্রাণে বেঁচে গেলেন ওই বিমানের একজন যাত্রী।
বরাত জোরে বেঁচে গেলেন ব্রিটেনের নাগরিক বিশ্বাস কুমার রমেশ। বিমানের 11A আসনের যাত্রী ছিলেন তিনি। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকার্য শুরু হলে, হেঁটেই অ্যাম্বুল্যান্সে উঠতে দেখা যায় তাঁকে।
বিমানের ইমারজেন্সি গেট খুলে ঝাপ দেয় রমেশ। তাতে প্রাণে বেঁচে যান এই যাত্রায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৪০ বছর বয়সি রমেশ নিজেই বেঁচে ফেরার কথা জানান।
তার দাবি অনুযায়ী, উড়ানের ৩০ সেকেন্ড পর তীব্র শব্দ শুনতে পাওয়ার পরই আছড়ে পড়ে বিমানটি।
বিশ্বাস কুমার রমেশ ও তার দাদা অজয়কুমার এক সঙ্গে ব্রিটেন ফিরে যাচ্ছিলেন। ২০ বছর ধরে লন্ডনে রয়েছেন রমেশ। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানও সেখানকারই বাসিন্দা। রমেশ ও তার দাদার আসন আলাদা আলাদা জায়গায় ছিল। তার দাদাকে খুঁজে পাওয়ার জন্য সাহায্যের আর্জিও জানিয়েছেন রমেশ। রমেশ এর কথায় জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণ শেষে উঠে চারিদিকে দেহ ছড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখে সে। ভয়ে আতঙ্কিত হয়েউঠে দাঁড়িয়েই দৌড়াতে শুরু করে। চারিদিকে বিমানের টুকরো ছড়িয়েছিল। কেউ তখন তাকে টেনে ধরে অ্যাম্বুল্যান্সের দিকে নিয়ে যায় এবং তারাই হাসপাতালে নিয়ে আসে।”
উল্লেখ্য, আহমেদাবাদের সর্দার বল্লভভাই পটেল বিমানবন্দরের অদূরে বিজে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রাবাসের উপর ভেঙে পড়ে বিমানটি। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বহু ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত আরও অনেকে। বিমান বিস্ফোরণের ঘটনার পর হস্টেলের ক্যান্টিনের, যেখানে আবাসিকেরা খাবার খান, সেখানে বিধ্বস্ত পরিস্থিতি । দেখা গিয়েছে, বহু বেঞ্চ ভেঙে পড়ে রয়েছে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে থালায় সাজানো খাবার। তছনছ হয়ে গিয়েছে সব।ভেঙে পড়েছে দেওয়ালও। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩৮ মিনিটে আহমদাবাদের বিমানবন্দরের ২৩ নম্বর রানওয়ে থেকে উড়েছিল বিমানটি। গন্তব্য ছিল লন্ডনের অদূরে গ্যাটউইক বিমানবন্দর। বিমানে সওয়ার ছিলেন ২৪২ জন। তাদের মাঝে অলৌকিকভাবে বাঁচলেন একমাত্র বিশ্বাস কুমার রমেশ।












Discussion about this post