অলিম্পিকসে ভারতের সাফল্যে যে সমস্ত গুরুর বড় অবদান রয়েছে তার মধ্যে হায়দ্রাবাদের গোপিচাঁদ থাকবেন সবার আগে ।সাইনা নেহওয়াল ব্রোঞ্জ জেতার পরে সিন্ধুর রূপো জয়ের কোচ ছিলেন গোপিচাঁদ । তারপরে সিন্ধুর জীবনে এসেছে একাধিক বিদেশি কোচ। এবার প্যারিসে সিন্ধু নামবেন মেন্টর প্রকাশ পারুকোন আর ইন্দোনেশিয়ার কোচ আগুজ সান্তোসার কোচি ্ য়ে। কিন্তু সিন্ধুর জীবন থেকে ডিলিট করে দেয়া যাবে না গোপিচাঁদকে। রিওতে চমকে দিয়েছিলেন রোহতাকের সাক্ষী মালিক। কুস্তিতে ব্রোঞ্জ জেতার পরে ম্যাটের উপর দৌড়েছিলেন এক ভারতীয় কোচ -কুলদীপ মালিক।
মেইন রাউন্ডে হারের পরে রেপেচেজে লড়াই করার জন্য সাক্ষী কে উদ্দীপ্ত করেছিলেন কুলদীপ ।পদক যে তার পরে সাক্ষীর নির্দ্বিধায় সাফল্যের সব কৃতিত্ব কুলদীপকেই দিয়েছিলেন। জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার অলিম্পিকসে চতুর্থ হয়ে ভারতের বহু কিশোর কিশোরীর আইডল হয়ে উঠেছিলেন কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দীর জন্যই। ৮ বছর পরেও বহু সমস্যার সামলেও তাই স্যারের সঙ্গ ছাড়েনি দীপা । এবার দীপার প্যারিসে যাওয়া হয়নি নিয়মের জাঁতাকলে। গেলে তার সঙ্গী হতেন বিশ্বেশ্বর ই । রিওর পরে টোকিও । ওয়েটলিফ্টার মীরাবাই চানু রূপো পেয়েছিলেন ভারতীয় কোচ বিজয় শর্মার কোচিংয়ে। সেই বিজয় শর্মা মীরার সঙ্গে প্যারিসেও থাকছেন। মীরা তার গুরুর কথা সবসময় বলেন । তাঁর কথায়,” বিজয় স্যার শুধু আমার কোচ নন, পিতৃতুল্যও ।খারাপ সময় আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ”।
টোকিওতে বক্সিংয়ে ব্রোঞ্চ পেয়েছিলেন লাভলিনা বরগোহাই। সামের এই মেয়েকে পদক জেতায় বড় সাহায্য করেছিল জাতীয় টিমের ইন্ডিয়ান কোচ কলকাতার আলী কামার।আর লাভলিনার বক্সিং এর হাতেখড়ি হয়েছিল সিকিমের কোচ সন্ধ্যা গুরু ্ এর কাছে। যদিও এবার প্যারিসে এঁরা কেউবা লাভলিনার সঙ্গে নেই।












Discussion about this post