আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে হোটেলে ফিরে উল্লাসে মেতে উঠলো কলকাতা নাইট রাইডার্স এর ক্রিকেটাররা। কেক কাটা হলো , চলল শ্যাম্পেনের ফোয়ারা । চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য চেন্নাইয়ের হোটেলে রাখা হয়েছিল একটি বিশাল কেক। ট্রফি নিয়ে হোটেলে ঢোকেন শ্রেয়াস আইআর । তিনি প্রথমে কেকের পাশে ট্রফি রেখে দেন । ক্রিকেটারদের গায়ে চ্যাম্পিয়ন লেখা জার্সি। চারদিকে ভিড় করে দাঁড়িয়েছিলেন ছবি শিকারীরা। শ্রেয়াস সুনীলরা কেক কাটেন । তারপর কেক মাখানোর লড়াই শুরু হয়। শ্রেয়াস ট্রফি নিয়ে নাচছিলেন। চারদিকে কেকেআর কে কে আর চিৎকার শুনে যাচ্ছিল।
তারপর দেখা গেল সবাইকে শ্যাম্পেনে স্নান করিয়ে দিচ্ছেন শ্রেয়াস । উল্লাস থামছিল না। দলের সব ক্রিকেটার তাতে যোগ দিয়েছিলেন । বোঝা যাচ্ছিল ১০ বছরের খরা কাটানোর আনন্দে একটু খামতি দিতে চাইছেন না শ্রেয়াসরা । চেটেপুটে সব আনন্দ উপভোগ করে নিতে চাইছেন তাঁরা। উল্লাস শুরু হয় মাঠে। বেঙ্কটেশ আইয়ারের ব্যাটে লেগে বল উইকেটের পেছনে যেতে উচ্ছ্বাস শুরু হয় কলকাতার নাইট রাইডার্স শিবিরে।
কলকাতার নাইট রাইডার্স একে অপরের ঘাড়ে উঠে পড়েন তাঁরা। উচ্ছাসের তোড়ে ভেসে যান সাপোর্ট স্টাফেরাও। মাঠে সপরিবারে নেমে পড়েন শাহরুখ খানও। মাঠের এক দিকে রাখা ছিল আইপিএল ট্রফি। যাতে খোদের করা হয়েছিল কেকেআরের নাম। ট্রফি পাওয়ার জন্য তর সই ছিল না শ্রেয়াসদের । চারপাশে দাঁড়িয়ে কাছ থেকে ট্রফি দেখেন তারা। শ্রেয়াসদের উচ্ছাস বুঝিয়েছিল এই ট্রফি জেতার গুরুত্ব তাদের কাছে কতটা। চলতি আইপিএলে প্রতিটি ম্যাচের পরেই গৌতম গম্ভীরের নাম করেছেন ক্রিকেটারা। দলের সাফল্যের তাঁর কতটা অবদান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে সেটা দেখা গেল। গম্ভীরকে জড়িয়ে ধরে কোলে তুলে নারাইন । শাহরুখ খান সবার সঙ্গে কথা বলেন জড়িয়ে ধরেন। গম্ভীরের কপালে চুমু খান শাহরুখ। ট্রফি জেতার পরে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে উল্লাস হয় সাজঘরে ।
রিংকু বেঙ্কটেসদের দেখা যায় দেদার নিজস্বীতুলতে। মাঠ কর্মীদের ও চ্যাম্পিয়ন লেখা শার্ট দেন তাঁরা । সাজ ঘরে ছিলেন শাহরুখ জুহি চাওলারা । গম্ভীরকে দেখা যায় ট্রফি হাতে পরিবারের সাথে ছবি তুলতে । সাজঘরে বাজছিল পাঞ্জাবি গান । রাত দুটোয় সাজঘর থেকে বেরিয়ে বাসে উঠে দল। নাচতে হোটেলে ফেরেন তাঁরা ।।












Discussion about this post